Advertisement
E-Paper

দু’টি নতুন থানা

ঘোষণা অনুসারেই মঙ্গলবার চালু হয়ে গেল জেলার দু’টি নতুন থানা চন্দ্রপুর ও লোকপুর। একই সঙ্গে কাঁকরতলা ও লাভপুর এই দু’টি থানার নতুন ভবনেরও উদ্বোধন হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধ্যায় পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে রিমোটে সেগুলির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার পর মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ পরপর সেগুলির উদ্বোধন করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:৪২
মঙ্গলবার যে দু’টি নতুন থানার উদ্বোধন হয়েছে তার মধ্যে একটি। ছবি: দয়াল সেনগুপ্ত।

মঙ্গলবার যে দু’টি নতুন থানার উদ্বোধন হয়েছে তার মধ্যে একটি। ছবি: দয়াল সেনগুপ্ত।

ঘোষণা অনুসারেই মঙ্গলবার চালু হয়ে গেল জেলার দু’টি নতুন থানা চন্দ্রপুর ও লোকপুর। একই সঙ্গে কাঁকরতলা ও লাভপুর এই দু’টি থানার নতুন ভবনেরও উদ্বোধন হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধ্যায় পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে রিমোটে সেগুলির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার পর মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ পরপর সেগুলির উদ্বোধন করেন। সঙ্গে ছিলেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলাপরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী, ডিআইজি ও স্পেশ্যাল আইজি অজয়কুমার নন্দা, জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া প্রমুখ। এসপি জানিয়েছেন, দু’টি থানায় প্রতিটিতে বর্তমান পুলিশ কর্মীর সংখ্যা ১৬।

প্রসঙ্গত, আগে মাওবাদী গতিবিধি রয়েছে কিংবা অতীতে কোনও মাওবাদী নাশকতার ঘটনা ঘটেছে এই নিরিখে জেলার চিহ্নিত থানার সংখ্যা ছিল ৯টি। এ বার সেই সংখ্যা বেড়ে হল ১১ হয়েছে। যদিও নতুন থানা এই তালিকায় যুক্ত হয়নি। খয়রাশোল ও রাজনগর দু’টি থানাকে ভেঙে হয়েছে লোকপুর ও চন্দ্রপুর থানা। জেলা পুলিশ সূত্রের খবর, জেলার ৯টি মাওবাদী প্রভাবিত থানার তালিকায় রয়েছে খয়রাশোল, রাজনগর, কাঁকরতলা, মহম্মদবাজার, রামপুরহাট, নলহাটি, মুরারইয়ের দুবরাজপুর ও সদাইপুর থানা। যেগুলির অধিকাংশই পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডের সীমানা ঘেঁষা থানা। উপযুক্ত নজরদারি বাড়াতে খয়রাশোল থানা এলাকার মোট ৬টি পঞ্চায়েত এলাকার নাকড়াকোন্দা, রূপসপুর ও লোকপুর নিয়ে হল লোকপুর থানা। বর্তমানে লোকপুর থানা আগে লোকপুর ফাঁড়ি ছিল। অন্য দিকে, রাজনগর থানা এলাকার মোট পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকা থেকে তাঁতিপাড়া ও চন্দ্রপুর এই দু’টি অঞ্চল নিয়ে চন্দ্রপুর থানা হল চন্দ্রপুর পঞ্চায়েত ভবনের মধ্যেই।

উল্লেখযোগ্য, তা হল নতুন দু’টি থানাকে মডেল থানা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটির জন্য ব্যয় করা হবে ২ কোটি টাকা। উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রধান গুরুত্ব দিয়ে থানার উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। যেগুলির মধ্যে থানার ভবন, পুলিশকর্মীদের জন্য ব্যারাক, পনীয় জল-সহ সব ব্যবস্থা করতে ইতিমধ্যেই দু’টি থানার জন্য সাড়ে তিন বিঘা করে জমি নির্বাচিত ও হস্তান্তরের কাজ সমাপ্ত হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। ওই খাতে সরকারি বরাদ্দের জন্য ইতিমধ্যেই আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। এ দিন উদ্বোধক রাজ্যের মন্ত্রী ও ডিআইজি উভয়েই বলেন, “নজরদারি বাড়াতে এবং মানুষের সুবিধার জন্যই থানার সংখ্যা বাড়ল।”

khayrasol new police station chandrapur and lokpur
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy