জননী শিশু সুরক্ষার অর্থ পেতে গ্রাহকদের হয়রান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে। এই অভিযোগ নিয়ে মঙ্গলবার সদর হাসপাতালের সুপারের সঙ্গে দেখা করেন জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজন। পুঞ্চার লহরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাধন দত্ত, পাড়ার ওয়ারিশ আনসারি, পাড়ার রাহেড়ডি গ্রামের উর্মিলা দাস, আড়শার কুমিরডিহা গ্রামের গোবর্ধন কুমারদের অভিযোগ, জননী শিশু সুরক্ষার অর্থ দিতে আমাদের বেশ কয়েকদিন ধরে ঘোরানো হচ্ছে। সাধনবাবুর কথায়, ‘‘আমি এর আগেও এসেছিলাম। সোমবার আসতে বলা হয়েছিল। সোমবার এলে বলা হল বলা হল পরের দিন আসতে। এ দিন এসে দেখি যে ঘর থেকে চেক দেওয়া হয়, সেটাই বন্ধ! কারণ জানতে চাওয়ায় বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন দিদিমনি এসে বলে গেলেন আজও হবে না, চেক নেই।’’ রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের প্রশ্ন, চেক যে দেওয়া হবে না, সেকথা নির্দিষ্ট ঘরের বাইরে কোনও নোটিস দিয়ে উল্লেখ নেই কেন। মহম্মদ ওয়ারিশ আনসারির ক্ষোভ, ‘‘সোমবার ফিরে গিয়েছি চেক নেই বলে। মঙ্গলবারও অত দূর থেকে এসে শুনতে হচ্ছে চেক নেই। যাতায়াতের ধকল আর টাকা খরচ করাই সার হচ্ছে।’’ গোবর্ধন কুমারের কথায়, ‘‘এর আগে তিন দিন ফিরে গিয়েছি। এ দিনও একই কাণ্ড হল।’’ সংশ্লিষ্ট ঘরের সামনে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরে এক স্বাস্থ্যকর্মীর মুখে চেক মিলবে না জানতে পেরে গ্রাহকেরা সুপারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমস্যার কথা জানান। হাসপাতাল সুপার শিবাশিস দাস বলেন, ‘‘চেকে যাঁদের সই করার কথা, তাঁদের এক জন না থাকায় সমস্যা হয়েছিল। দ্রুত এর সমাধান হবে।’’