Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৫ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

সক্রিয় নয় নিয়োগ সেল, প্রেসিডেন্সি নিয়ে সরব পড়ুয়ারা

নিজস্ব সংবাদদাতা
০৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৪:২৩

বেশ কিছু বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। গ্রন্থাগার ২৪ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায় না। এই সব অসুবিধের মধ্যে ‘প্লেসমেন্ট সেল’-এর গয়ংগচ্ছ মনোভাবই সব থেকে বড় সমস্যা বলে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জানালেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মান যাচাই করে নম্বর বা গ্রেড দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছেন ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল বা নাক-এর প্রতিনিধিরা। সোমবার তাঁদের সঙ্গে প্রেসিডেন্সির ছাত্রছাত্রীদের আলোচনায় এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নানান সমস্যার কথা উঠে আসে। প্রেসিডেন্সির পরিকাঠামো যাচাইয়ের সঙ্গে সঙ্গে পড়ুয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রাক্তনীদের মতামতও শুনছে নাক-এর দল। বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং ঠিক করার জন্য তিন দিন ধরে প্রেসিডেন্সির কর্মকাণ্ড যাচাই করবেন নাক-এর প্রতিনিধিরা।

এ দিন কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে মত বিনিময়ের সভায় প্রেসিডেন্সির প্রতিটি বিভাগের পড়ুয়া-প্রতিনিধিরাই যোগ দেন। পড়াশোনার শেষে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পড়ুয়ারা চাকরির সুযোগ কতটা পাচ্ছেন, নাক-এর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকেই সেই বিষয়টি তোলা হয়। তারই জবাবে অনেকে দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হতে যাওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্লেসমেন্ট সেলটির গয়ংগচ্ছ মনোভাবের কথা জানান। পড়ুয়া-প্রতিনিধিদের বক্তব্য, চাকরির সুযোগের সদ্ব্যবহারের জন্যই ওই সেলকে আরও সক্রিয় করে তোলা দরকার। ভূতত্ত্ব বিভাগের ছাত্র অর্কপ্রভ মুখোপাধ্যায় পরে বলেন, ‘‘প্লেসমেন্ট সেলকে সক্রিয় করার পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা লাইব্রেরি খোলা রাখার কথা বলেন পড়ুয়ারা।’’

Advertisement

ওঠে শিক্ষক-ঘাটতির কথাও। দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্সির বিভিন্ন বিভাগে অনেক শিক্ষক-পদ খালি। তার উপরে মাঝেমধ্যেই অনেক অধ্যাপক-অধ্যাপিকা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পঠনপাঠন মার খাচ্ছে বলে জানানো হয় নাক-এর প্রতিনিধিদের। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র প্রান্তিক বসু পরে জানান, আরও বেশি ‘এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম’ বা বিনিময় কর্মসূচি দরকার বলে পড়ুয়াদের পক্ষ থেকে আলোচনায় জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

Advertisement