×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৩ মে ২০২১ ই-পেপার

শঙ্করদাই তো রাজনীতি শিখিয়েছেন: দেব

নিজস্ব সংবাদদাতা
মেদিনীপুর ০৭ অগস্ট ২০২০ ০১:৩৫
মেদিনীপুরে তারকা সাংসদ।

মেদিনীপুরে তারকা সাংসদ।

ঘাটালের বিধায়ক শঙ্কর দোলুইয়ের সঙ্গে তাঁর কোনও দূরত্ব নেই। বরং বিধায়ক তাঁর বড় দাদার মতো। এমনটাই জানালেন সাংসদ দেব।

অথচ বহু দিন ধরেই ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দেবের অনুগামীদের সঙ্গে বিধায়ক শঙ্করের শিবিরের ‘ঠান্ডা লড়াই’ চলছে এবং বহু ক্ষেত্রেই পিছু হটতে হচ্ছে শঙ্কর শিবিরকে। সম্প্রতি ঘাটাল কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন ব্যাঙ্কের ক্ষমতা হাতছাড়া হয়েছে শঙ্করের। জিতেছেন সাংসদ অনুগামীরা।

বৃহস্পতিবার মেদিনীপুরে এসে এক প্রশ্নের উত্তরে দেব অবশ্য বলেন, ‘‘শঙ্কর দোলুইয়ের হাত ধরেই আমি রাজনীতিতে এসেছি। আমার দু’টো নির্বাচনেই শঙ্করদা আমার প্রতিনিধি ছিলেন। ওঁর কাছে রাজনীতির অনেক কিছুই শিখেছি। ঘাটালের যে তিন-চারজন আমার খুব কাছের মানুষ, উনি তার মধ্যে একজন। শঙ্করদা আমার খুব কাছের মানুষ। আমার মনে হয় না যে, আমার সঙ্গে শঙ্করদার কোনও দূরত্ব তৈরি হয়েছে।’’ দেব আরও জুড়েছেন, ‘‘উনি বহু বছরের রাজনীতিক। ছোটবেলা থেকে রাজনীতি করছেন। কলেজে রাজনীতি করেছেন। কংগ্রেসে ছিলেন, সিপিএমে ছিলেন, তারপর তৃণমূলে এসেছেন। ওঁর এত বছরের রাজনীতির অভিজ্ঞতা যে কোনও দলের জন্য বড় পাওনা।’’

Advertisement

দলের অনেকে মনে করছেন, এ দিনের বক্তব্যে শঙ্করের প্রতি স্পষ্ট বার্তাই দিয়েছেন দেব। শঙ্করেরও প্রতিক্রিয়া, ‘‘দেব ভাল ছেলে। ওকে কেউ কেউ ভুল বোঝাচ্ছে।’’

বৃহস্পতিবার মেদিনীপুরে দলের সাংসদ, বিধায়কদের নিয়ে এক বৈঠক করেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। বৈঠকে থাকতেই মেদিনীপুরে আসেন দেব। শঙ্কর অবশ্য এ দিনের বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। এ দিন দেবের ঘাটালে যাওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু যাননি। কেন? দেবের উত্তর, ‘‘ঘাটালে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু এটা উদ্যাপনের সময় নয়। এ সবের জন্য প্রচুর সময় পড়ে রয়েছে। আমি গেলে ভিড় হত। তাই যাইনি।’’ এ দিন অজিতকে সঙ্গে নিয়ে কালেক্টরেটে গিয়ে জেলাশাসক রশ্মি কমলের সঙ্গেও দেখা করেন দেব। সাংসদের কথায়, ‘‘ঘাটালে বন্যা মোকাবিলায় আমরা কতটা প্রস্তুত আছি, সেই খোঁজখবর নিয়েছি।’’

এখনও তো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ এগোল না? দেব বলেন, ‘‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আমি প্রথম দিন থেকেই লড়ে যাচ্ছি। আমি, মানসদা (মানস ভুঁইয়া) সবাই। কেন হচ্ছে না সাধারণ মানুষ বোঝে। ঘাটালের মানুষকে রাজনীতি বোঝানোর দরকার নেই। আমরা যদি সরকারের (কেন্দ্রে) মধ্যে থাকতাম, এটা অনেক আগেই হয়ে যেত।’’

Advertisement