Advertisement
E-Paper

সুখেন্দুর পর রাজ্যসভা ছাড়লেন সুস্মিতাও, ছাড়লেন তৃণমূলও! অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তের সঙ্গে সাক্ষাৎ, এ বার কি বিজেপিতে?

কেবল সাংসদ পদ ছাড়াই নয়, তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদও ত্যাগ করেছেন সুস্মিতা দেব। বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা বাড়িয়ে তিনি দেখা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ১২:০১
(বাঁ দিকে) সুস্মিতা দেব এবং হিমন্ত বিশ্বশর্মা (ডান দিকে)। বুধবার দিল্লিতে।

(বাঁ দিকে) সুস্মিতা দেব এবং হিমন্ত বিশ্বশর্মা (ডান দিকে)। বুধবার দিল্লিতে। ছবি: সংগৃহীত।

সুখেন্দুশেখর রায়ের পর সুস্মিতা দেব। তৃণমূলের আরও এক রাজ্যসভার সাংসদ ইস্তফা দিলেন। কেবল সাংসদ পদ ছাড়াই নয়, তৃণমূলের সমস্ত পদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা বাড়িয়ে বুধবারই দিল্লিতে সুস্মিতা দেখা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে।

বুধবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করে ইস্তফাপত্র তুলে দেন সুস্মিতা। চেয়ারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে সুস্মিতা তাঁর ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আর্জি জানান। গত সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের মোট ১৩ জন সাংসদ ছিলেন। সুখেন্দু এবং সুস্মিতা ইস্তফা দেওয়ায় তা কমে ১১ হল। এ রাজ্য থেকে রাজ্যসভায় বিজেপির তিন জন সাংসদ রয়েছেন।

রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সুস্মিতা বলেন, “এখন তিনি মুক্ত এবং স্বাধীন।” তবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনই কিছু ভাবেননি বলে জানান সুস্মিতা। সুস্মিতা এ-ও জানান যে, তিনি আদতে অসমের রাজনীতিক। তবু রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি সুস্মিতা। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তাঁর ব্যাখ্যা, বহু দিনের পরিচয়ের সুবাদেই হিমন্তের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

সুস্মিতা আদতে অসমের রাজনীতিক। সে রাজ্যের প্রখ্যাত রাজনীতিক তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেবের কন্যা। সুস্মিতা অসমের শিলচরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হেরে যান তিনি। ২০২১ সালের অগস্ট মাসে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। অসম-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে তাঁকে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব দিয়েছিল তৃণমূল।

২০২১ সালে মানস ভুঁইয়া রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে সুস্মিতাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল। সে বার তাঁর ভাঙা মেয়াদ শেষ হয় ২০২৩ সালের অগস্টে। সুস্মিতার পর ওই আসনে সামিরুল ইসলামকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল। শান্তনু সেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় ২০২৪ সালের এপ্রিলে ফের রাজ্যসভায় যান সুস্মিতা। তাঁর সাংসদ পদের মেয়াদ ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত। মেয়াদ শেষ হওয়ার চার বছর আগেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন সুস্মিতা।

Sushmita Dev
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy