E-Paper

পেট্রাপোলে ব্যাহত সীমান্তের বাণিজ্য

স্থলবন্দর সূত্রের খবর, সাধারণত ভারতীয় ট্রাকচালকদের বেনাপোল স্থলবন্দরে গিয়ে পণ্য খালাসের জন্য কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হয়। সে জন্য অনেক সময়েই তাঁরা খাবার বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বন্দরের বাইরে বেরোন। বর্তমান পরিস্থিতির কারণেই তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:২৯

—প্রতীকী চিত্র।

বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির প্রভাব পড়ল ভারতের বৃহত্তম স্থলবন্দর উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোলের উপরে। শনিবার সকালে এই বন্দর দিয়ে দু’দেশের মধ্যে তুলনায় কম পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করে। বাণিজ্যিক কাজকর্ম শুরুর আগে, সীমান্তের ‘নো ম্যানস্ ল্যান্ড’-এ জরুরি বৈঠক করেন দু’দেশের বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা। বৈঠকে ভারতীয় ট্রাক-চালকদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ ভাবে আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভারতীয় ট্রাকচালকেরা নিরাপত্তার স্বার্থে বেনাপোল স্থলবন্দরের বাইরে যাবেন না।

পেট্রাপোল শুল্ক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন নির্ধারিত সময়ের (সকাল ৮টা) প্রায় এক ঘণ্টা পরে বাণিজ্যিক কাজকর্ম শুরু হয়। ফলে, তুলনায় কিছু কম ট্রাক চলে। সীমান্ত বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ‘পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ‘‘এ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৩৫টি ভারতীয় ট্রাক পণ্য নিয়ে বেনাপোলে গিয়েছে। অন্য দিন গড়ে ২৭৫টি ট্রাক যায়।’’

স্থলবন্দর সূত্রের খবর, সাধারণত ভারতীয় ট্রাকচালকদের বেনাপোল স্থলবন্দরে গিয়ে পণ্য খালাসের জন্য কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হয়। সে জন্য অনেক সময়েই তাঁরা খাবার বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বন্দরের বাইরে বেরোন। বর্তমান পরিস্থিতির কারণেই তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে বসিরহাটের ঘোজাডাঙা দিয়ে সীমান্ত-বাণিজ্য স্বাভাবিক রয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে এ দেশে যাত্রী আসা আরও কমেছে। তুলনায় ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরে যাওয়ার সংখ্যা এ দিন বেশি ছিল। ঢাকার এক বাসিন্দা চিকিৎসার কারণে এ দেশে এসেছিলেন। পেট্রাপোল দিয়ে ফেরার সময় তিনি বলেন, ‘‘বাড়ি থেকে বার বার আতঙ্কে ফোন করছেন সকলে। তাই দ্রুত ফিরছি। শুনছি, ওখানে যানবাহন ঠিকঠাক চলছে না। জানি না, কী ভাবে বাড়ি পৌঁছব!’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Petrapole trade

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy