Advertisement
E-Paper

এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বতঃপ্রণোদিত নাম বাদ নিয়ে অভিযোগ, কমিশনের সিইও-কে চিঠি ডবলুবিসিএস আধিকারিকদের সংগঠনের

গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই তালিকা থেকে রাজ্যের ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। যাঁর মধ্যে মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ এবং একাধিক জায়গায় নাম রয়েছে এমন ভোটারেরা রয়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২:৩৫

—প্রতীকী চিত্র।

অবৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় থাকলে তার দায় নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (ইআরও)-দের নিতে হবে। এমনকি, ইআরও-দের শাস্তি হতে পারেও বলে জানিয়েছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর। এমতাবস্থায় সিইও অফিসকে চাপে রাখতে পাল্টা চিঠি দিল ডব্লিউবিসিএস-দের সংগঠন। খসড়া তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ পড়ার বিষয়টিকে তারা হাতিয়ার করেছে। ওই সংগঠনের বক্তব্য, তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার আগে প্রত্যেক ভোটারকে শুনানির সুযোগ দেওয়া হোক। বক্তব্য না-শুনে নাম বাদ দেওয়া যাবে না। তারা ইআরও-দের আইনি ক্ষমতা ও দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করতে দেওয়ার দাবিও উঠেছে।

গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই তালিকা থেকে রাজ্যের ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। যাঁর মধ্যে মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ এবং একাধিক জায়গায় নাম রয়েছে এমন ভোটারেরা রয়েছেন। ডব্লিউবিসিএস সংগঠনের বক্তব্য, হঠাৎ করে প্রচুর নাম খসড়া ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই বেঁচে রয়েছেন অথচ মৃত হিসাবে দেখানো হয়েছে। একই এলাকার ভোটার হয়েও বলা হয়েছে স্থানান্তরিত। যোগ্য ভোটার হওয়া সত্ত্বেও নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হল— নাম বাদ দেওয়ার আগে যাচাই করা হল কী ভাবে? কারও কি বক্তব্য শোনা হয়েছে?

ওই সংগঠনের বক্তব্য, আইন অনুযায়ী কাউকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আগে শুনানির সুযোগ দিতে হয়। কিন্তু এখন কোনও শুনানি ছাড়াই, কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে একসঙ্গে বহু নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ভোটারের অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। যোগ্য মানুষও ভোট দেওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, নাম বাদ পড়ার পিছনে ভোটারেরা ইআরও-দের দোষ দিচ্ছেন। অথচ বাস্তবে ইআরও-দের জানানোই হয়নি। তাই কারও বক্তব্য না-শুনে শাস্তি দেওয়ার মতো অবস্থা যেন না-হয় তা কমিশনের দেখা উচিত। তাদের দাবি, এই পুরো বিষয়ে নির্বাচন কমিশন যেন স্পষ্ট নির্দেশ দেয়। ইআরও-দের যেন তাঁদের আইনগত ক্ষমতা ও দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করতে দেওয়া হয়। কারণ, শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ইআরও-দেরই সই থাকবে।

প্রসঙ্গত, এই চিঠিকে রাজনৈতিক বলে আক্রমণ করেছে বিজেপি। ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “আমরা শুনেছি, মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ডবলুবিসিএস আধিকারিকের সঙ্গে একটি বৈঠক করে তাদের দাবিদাওয়া পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। আর ঠিক তারপর দিনই এসআইআর নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানাল তাদেরই সংগঠন। তাই এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসাজশ থাকতে পারে বলেই সন্দেহ তৈরি হয়েছে।”

SIR Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy