Advertisement
E-Paper

দূর বোকা, ভয় কী রে!

শিশু-কিশোরদের অনেকেই একটা বয়স পর্যন্ত নানা জিনিসে ভয় পায়। কারও অন্ধকারে ভূতের ভয়, কেউ আবার উড়ন্ত আরশোলার ভয়ে কাবু। বাবা-মায়েরা স্বভাবতই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কী করবেন, পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদ জয়রঞ্জন রাম।

দেবাঞ্জনা ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০১৫ ০১:৩৭

অনেক ক্ষেত্রেই ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। ভয় আসলে Protective Response। এর ফলে, অনেক বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়।

শিশু-কিশোরদের ভয়ও অস্বাভাবিক নয়। পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভয় কেটেও যায়।

কিন্তু যদি ভয় মাত্রাতিরিক্ত হয় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রকোপ যদি না কমে তাহলে বিষয়টি সত্যিই উদ্বেগের।

ছোটবেলায় অভিভাবকরাও অনেক সময় ভয় দেখান। যেমন জুজুর ভয়, ভূতের ভয়। এতে শিশুমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়। অলীক কিছুর ভয় না দেখানোই উচিত।

অনেক সময় প্রিয়জন কাছে না থাকলে শিশু ভয় পায়। এটা আসে নিরাপত্তাহীনতা থেকে। এ ক্ষেত্রে শিশুকে মনের জোর বাড়াতে সাহায্য করুন।

শিশুর ভয়ের ধরন সমবয়সীদের মতোই কিনা, লক্ষ্য রাখতে হবে।

ভয় পাওয়ার পরে প্রতিক্রিয়া কী রকম হচ্ছে নজরে রাখতে হবে তা-ও। প্রতিক্রিয়া অস্বাভাবিক ধরনের হলে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

ভাল করে বুঝতে হবে ভয়টা নেহাতই ভয় না ফোবিয়া। যেমন, আরশোলার জন্য কেউ ঘরেই ঢুকতে চাইছে না বা কুকুরের ভয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে রাস্তায় ছুটতে শুরু করে, তাহলে সেটা ফোবিয়া।

যদি ভয় অমূলক হয় তাহলে অভিভাবককে তা কাটিয়ে দিতে হবে। যেমন, শিশু যদি ভয়ে অন্ধকার ঘরে ঢুকতে না চায়, তাহলে ওকে সঙ্গে নিয়ে অন্ধকার ঘরে ঢুকুন। ওকে বুঝিয়ে দিন এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বুঝিয়েই আপনার শিশুকে ভয় জয় করতে শেখান।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy