Advertisement
E-Paper

শিশু-মৃত্যুর রিপোর্ট কই, কাঠগড়ায় রাজ্য

ঘটনার পরে প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্মারে দুই শিশুর পুড়ে মৃত্যুর তদন্ত রিপোর্ট এখনও প্রকাশ করতে পারল না রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:৪১

ঘটনার পরে প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্মারে দুই শিশুর পুড়ে মৃত্যুর তদন্ত রিপোর্ট এখনও প্রকাশ করতে পারল না রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। কেন ওই রিপোর্ট এখনও জমা পড়ল না, বুধবার সেই প্রশ্ন তুলল রোগী-স্বার্থে কাজ করা এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সংগঠনের সভাপতি কুণাল সাহার অভিযোগ, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে অসংখ্য মানুষ অপচিকিৎসার শিকার। কিন্তু তাঁদের কেউই সুবিচার পাচ্ছেন না। নবজাতকের চিকিৎসা নিয়ে এ রাজ্যে এত বড়াই করা হয়। অথচ দুই নবজাতকের মৃত্যুর কিনারা এখনও হল না।’’ কার স্বার্থে ওই রিপোর্ট আড়ালে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কুণালবাবু। তিনি বলেন, ‘‘ঠিক কী ঘটেছিল, সাধারণ মানুষ তা জানতে পারছেন না। কারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছিল এবং কাদের স্বার্থেই বা তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না, বুঝতে পারছি না।’’

মাস দেড়েক আগে মেডিক্যালের সিক নিউ বর্ন কেয়ার ইউনিটে ওয়ার্মারে পুড়ে মারা যায় দুই নবজাতক। নজিরবিহীন ভাবে সেই ঘটনার তদন্তে পরপর দু’-দু’টি কমিটি গড়া হয়। কিন্তু এখনও সেই সব কমিটির রিপোর্ট জমা পড়েনি। কেন রিপোর্ট জমা পড়েনি, সেই ব্যাপারে স্বাস্থ্য দফতরের কেউ রা কাড়েননি। বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছিল স্বাস্থ্য (শিক্ষা) অধিকর্তার কাছে। কিন্তু তাঁর ফোন আগাগোড়া বন্ধ ছিল।

কী বলছে সরকার?

‘‘সব তদন্তেরই একটা নিজস্ব গতি আছে। সময় লাগে। সময় এলেই রিপোর্ট প্রকাশিত হবে,’’ বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

শুধু মেডিক্যালে ওয়ার্মারে পুড়ে দু’টি শিশু মৃত্যুর ঘটনাই নয়, ‘পিপল ফর বেটার ট্রিটমেন্ট’ নামে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের ভূমিকাকে কার্যত প্রহসন আখ্যা দেন কুণালবাবু। সারদা গোষ্ঠীর আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জেলবন্দি প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের
হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরে উনি বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। কী রোগ হয়েছিল তাঁর? বারবার তথ্যের অধিকার আইনে তা জানতে চাওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের তরফে কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।’’

এ ব্যাপারেও মুখে কুলুপ এঁটেছেন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যকর্তারা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy