Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৯ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

Ahmaud Arbery: কৃষ্ণাঙ্গ-হত্যায় আমৃত্যু কারাদণ্ড তিন শ্বেতাঙ্গের

সংবাদ সংস্থা
ব্রুন্সউইক (জর্জিয়া) ২৬ নভেম্বর ২০২১ ০৭:২২
আদালতের রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন আহমদ আরবারির (ইনসেটে) মা ওয়ান্ডা কুপার জোনস। বুধবার ব্রুন্সউইকে।

আদালতের রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন আহমদ আরবারির (ইনসেটে) মা ওয়ান্ডা কুপার জোনস। বুধবার ব্রুন্সউইকে।
ছবি রয়টার্স।

কৃষ্ণাঙ্গ জীবনেরও দাম আছে! আহমদ আরবারিকে হত্যার অপরাধে তিন শ্বেতাঙ্গকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়ে বুধবার এই বার্তাই দিল জর্জিয়ার একটি আদালত।

গত বছর ২৩ ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণাঙ্গ যুবক, ২৫ বছর বয়সি আহমদ আরবারিকে গুলি করে খুন করেছিল তিন শ্বেতাঙ্গ। আহমদ তখন জগিং করছিলেন। অভিযুক্তদের প্রথমে গ্রেফতার করেনি স্থানীয় পুলিশ। কিন্তু সেই ঘটনার আড়াই মাস পরে আরবারিকে গুলি করার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন। তার পরে ৭ মে গ্রেফতার করা হয় তিন অভিযুক্তকে— ৩৫ বছর বয়সি ট্র্যাভিস ম্যাকমাইকেল, তার ৬৫ বছর বয়সি বাবা গ্রেগরি এবং তাদের প্রতিবেশী, ৫২ বছর বয়সি উইলিয়াম ব্রায়ানকে। তিন জনের বিরুদ্ধেই খুনের মামলা রুজু করা হয়েছিল। দীর্ঘ শুনানির পরে জুরি সদস্যরা গত কাল তাঁদের রায় জানান। হত্যা ছাড়াও অপহরণের উদ্দেশ্য ও বর্ণবিদ্বেষমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে ৩ জনের বিরুদ্ধে। ফেব্রুয়ারি মাসে সেই অপরাধের সাজা ঘোষণা করা হবে।

আর এক কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এক প্রত্যক্ষদর্শী বালিকার তোলা ভিডিয়ো। একই ভাবে, আহমদের খুনিদের আসল উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যায় ঘটনার একটি ভিডিয়োতে। তবে এই ভিডিয়োটি তুলেছিল আর এক অভিযুক্ত উইলিয়াম ব্রায়ান স্বয়ং। কেন সে নিজেদের এই কুকীর্তির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে গেল তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ফুটপাত ধরে জগিং করছেন আহমদ, আর গাড়িতে চেপে তাঁকে অনুসরণ করছেন বাবা-ছেলে গ্রেগরি ও ট্র্যাভিস। আর একটু দূরে, আর একটি গাড়িতে, রয়েছেন ব্রায়ান নিজেই। তিন জন আহমদকে অনুসরণ করছিল আর ক্রমাগত আহমদকে কটূক্তি করে যাচ্ছিল। কিছু ক্ষণ পরে গাড়ি থেকে নেমে আহমদকে ঘিরে ধরে তিন জন। চার জনের মধ্যে প্রবল কথা কাটাকাটি হতে থাকে। আহমদকে ধাক্কা মারে গ্রেগরি। তাকে পাল্টা মারার চেষ্টা করে আহমদ। তার পরে গ্রেগরি, যে আবার প্রাক্তন পুলিশ অফিসার, বন্দুক বার করে পর পর তিন বার আহমদকে গুলি করে। লুটিয়ে পড়েন কৃষ্ণাঙ্গ যুবকটি। গাড়িতে উঠে চলে যায় তিন জন। গ্রেগরিদের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, আত্মরক্ষার জন্যই তাঁর মক্কেলরা গুলি ছুড়েছিল। আজকের রায়ে স্পষ্ট, জুরি সেই দাবি মানেনি। রায় শুনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘‘বিচারব্যবস্থা যে নিজেদের কাজ ঠিকমতো করছে, আজকের রায়ে তা স্পষ্ট।’’

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisement