Advertisement
E-Paper

১৭ মাস পর হাসিনার আওয়ামী লীগের প্রথম সাংবাদিক বৈঠক ভারতে! ইউনূসকে তোপ, বার্তা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়েও

বাংলাদেশে বর্তমানে সংখ্যালঘুদের অবস্থান নিয়ে একাধিক বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। আওয়ামী লীগের বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উঠেছে। ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা বলে মাহমুদদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:৫৪
(বাঁ দিকে) শেখ হাসিনা এবং মুহাম্মদ ইউনূস (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) শেখ হাসিনা এবং মুহাম্মদ ইউনূস (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

গণবিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ১৭ মাস পর প্রথম বার ভারতে বসে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতারা। দাবি, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে অক্ষম। সেই কারণেই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে লড়তে দেওয়া হচ্ছে না। হাসিনার দলের জনপ্রিয়তাকে ইউনূসেরা ভয় পাচ্ছেন, দাবি আওয়ামী লীগের।

শনিবার আওয়ামী লীগের নেতা হাসান মাহমুদ এবং মোহিদুল হাসান চোধুরী নয়াদিল্লি থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী মাহমুদ বলেন, “আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই। আমরা সব সময় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছি। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু এই প্রশাসন থাকলে আওয়ামী লীগ কখনওই ভাল কাজ করার সুযোগ পাবে না।”

বাংলাদেশে বর্তমানে সংখ্যালঘুদের অবস্থান নিয়ে একাধিক বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। আওয়ামী লীগের বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উঠেছে। ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা বলে মাহমুদদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ। এমনকি তাঁরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগের কর্মীদের হত্যার অভিযোগে অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে ইউনূসের নির্দেশে।

২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন (ইউনাইটেড নেশন্‌স হাই কমিশন ফর হিউম্যান রাইট্‌স)-এর একটি রিপোর্ট। বৈঠকে ওই তথ্যের সমালোচনা করেন মাহমুদ এবং মোহিবুল। দাবি, রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিভাগের প্রধান ভলকার টার্কের তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তার পরেও তাঁদের বক্তব্য ওই রিপোর্টে রাখা হয়নি বলে দাবি দুই নেতার।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ঢাকা ছেড়ে দিল্লিতে চলে এসেছিলেন হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই ‘অজ্ঞাতবাসে’ রয়েছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। কিন্তু ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে তারা লড়তে পারছে না।

awami league Bangladesh Awami League Bangladesh Muhammad Yunus Sheikh Hasina Bangladesh general election
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy