Advertisement
E-Paper

আচমকাই দায়িত্ব ছাড়লেন বাংলাদেশের আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের বিদেশি পরামর্শদাতা! ঢাকার দাবি: ইস্তফা নয়, ফুরিয়েছে চুক্তির মেয়াদ

বাংলাদেশের আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শদাতার দায়িত্ব ছাড়লেন ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান। হাসিনা সরকারের পতনের পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে এই পদে নিয়োগ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:২৫
ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান।

ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান। ছবি: এক্স।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-র চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকে সরলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান। শেখ হাসিনার পতনের পরে তাঁকে এই পদে নিযুক্ত করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এ বার সেই দায়িত্ব ছাড়লেন ক্যাডম্যান। যদিও চিফ প্রসিকিউটর (মুখ্য সরকারি আইনজীবী)-এর দাবি, ক্যাডমান ইস্তফা দেননি। তাঁর চুক্তির মেয়াদ ফুরিয়েছে।

ব্রিটিশ আইনজীবী ক্যাডমান লন্ডনের গার্নিকা ৩৭ ল’ফার্মের যুগ্ম প্রধান। অতীতে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সময়েও বাংলাদেশে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। অভিযুক্তদের আইনজীবী হিসাবে লড়তে চেয়েছিলেন। তবে তখন তাঁকে বাংলাদেশে যেতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশে যান তিনি। ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর তাঁকে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করা হয়।

ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যখন হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা চলছিল, তখনও তিনিই ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিশেষ পরামর্শদাতা। গত বছরের ১৭ নভেম্বর হাসিনার ফাঁসির আদেশ দেয় আইসিটি। তখনও তিনি ছিলেন ওই পদে। সেই ক্যাডমান আচমকা দায়িত্ব ছাড়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে বাংলাদেশের অন্দরেই। এরই মধ্যে সোমবার বিকেলে চিফ প্রসিকিউটর জানান, ক্যাডম্যানের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়নি।

আইসিটি-র চিফ প্রসিকিউটর তাজুল জানান, ক্যাডম্যানকে এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমে তাঁর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ভাবনাচিন্তা করছিল। ক্যাডম্যানও চাইছিলেন যাতে মেয়াদ বৃদ্ধি হয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আর বেশি দিন বাকি নেই। তাই এই মুহূর্তে ক্যাডম্যানের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের আইন মন্ত্রক। তাজুলের দাবি, গত বছরের ১৯ নভেম্বরই ক্যাডম্যানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। অর্থাৎ, হাসিনার বিরুদ্ধে যে দিন আইসিটি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়, তার ঠিক দু’দিন পরে।

২০২৪ সালের ৫ অগস্ট হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের সময়ে ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ছ’জনের। ঢাকা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার-সহ আট জন এই মামলায় অভিযুক্ত। মঙ্গলবার তাঁদের বিরুদ্ধে মামলায় রায় ঘোষণা করবে আইসিটি। ঘটনাচক্রে, ঠিক তার আগের দিনই ক্যাডম্যানের দায়িত্ব ছাড়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে এল।

Bangladesh Situation dhaka
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy