Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

আন্তর্জাতিক

ভিন্‌গ্রহীদের হাতেই কি অপহৃত হয়েছিলেন বেটি-বার্নি? সম্মোহনেও রহস্য কাটেনি সে দিনের ঘটনার

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৮ জানুয়ারি ২০২১ ১২:২২
ভিন্‌গ্রহীদের হাতে অপহরণ! যে ভিন্‌গ্রহীদের অস্তিত্বই এখনও প্রমাণ হয়নি, তাদের হাতে একেবারে অপহৃত হওয়ার দাবি করেছিলেন আমেরিকান দম্পতি বার্নি এবং বেটি হিল। তাঁদের দাবি, ১৯৬১ সালে নিউ হ্যাম্পশায়ারের একটি প্রত্যন্ত এলাকা থেকে তাঁদের অপহরণ করেছিল ভিন্‌গ্রহীরা! স্বাভাবিক ভাবেই বিশ্ব জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিল এই ঘটনা।

‘হিল অপহরণ’ এবং ‘জেটা রেটিকুলি ঘটনা’ এই দুই নামেই ওই বিস্ময়কর ঘটনার উল্লেখ করা হত। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে দুটো পাশাপাশি উজ্জ্বল তারা দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে আকাশ খুব অন্ধকার থাকলে এই তারা দু’টিকে আরও স্পষ্ট ভাবে প্রত্যক্ষ করা যায়। এটাই হল জেটা রেটিকুলি।
Advertisement
পৃথিবী থেকে ৩৯.৩ আলোকবর্ষ দূরে থাকা দুটো নক্ষত্রই জ্বলন্ত সূর্যের মতো। বার্নি এবং বেটির দাবি, এদের মধ্যেই একটি তারা তাঁদের কাছে চলে আসে এবং তার ভিতর থেকে অনেকটা মানুষের মতো দেখতে ভিন্‌গ্রহীরা বেরিয়ে এসে তাঁদের অপহরণ করে নেয়!

১৯৬৬ সালে ‘দ্য ইন্টারাপ্টেড জার্নি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছিল। ওই বছরের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক বিক্রিত বই ছিল বইটি। ওই বইয়ে বার্নি এবং বেটির ভিন্‌গ্রহী অপহরণের ঘটনা ছাপা হয়েছিল। তাঁদের কাহিনি নিয়ে ১৯৭৫ সালে ‘দ্য ইউএফও ইনসিডেন্ট’ নামে ফিল্মও হয়। ২০১৬ সালে এর উপর ভিত্তি করে আরও একটি ফিল্ম বানানোর কথা হয়েছিল।
Advertisement
এই ঘটনার বিবরণ সম্পর্কে বেটি হিলের যাবতীয় বক্তব্য, লেখা সবই নিউ হ্যাম্পশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগ্রহ করে রাখা রয়েছে। যে এলাকায় ভিন্‌গ্রহীদের যান নেমেছিল বলে দাবি করেছিলেন ওই দম্পতি, সেটাও আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৯৬১ সালে ওই দম্পতি কী দেখেছিলেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঠিক কী করেছিল ভিন্‌গ্রহীরা?

আমেরিকার পোস্টাল সার্ভিসে কাজ করতেন বার্নি। বেটি ছিলেন একজন সমাজকর্মী। ১৯৬১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁরা দু’জনেই গাড়ি চালিয়ে ছুটি কাটিয়ে নায়াগ্রা জলপ্রপাত থেকে পোর্টসমাউথে নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন ওই দম্পতি। বেটির দাবি, ল্যাঙ্কাস্টারে পৌঁছনোর পর তাঁরা দেখতে পান একটি অত্যন্ত উজ্জ্বল আলো আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেটি চাঁদের নীচ দিয়ে বৃহস্পতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রথমে এটিকে উল্কা বলে ভুল করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই বস্তুটি নাকি নীচের দিকে না এসে উপরে উঠে যায় এবং তার আকার ক্রমশ যেন বড় হয়ে যাচ্ছিল। যা দেখে খানিকটা বিস্মিত হয়ে যান বেটি। তাঁদের গাড়ি তখন ইউএস রুট ৩ ধরেছে। বার্নিকে গাড়ি থামাতে বলেন তিনি।

এর কিছু ক্ষণের মধ্যে গাড়ি থামিয়ে দেন বার্নি। সঙ্গে ছিল তাঁদের পোষ্য কুকুর ডেলসি। ডেলসিকে নিয়ে দু’জনেই গাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে দাঁড়ান।  দূরবীন নিয়ে উড়ন্ত সেই উজ্জ্বল বস্তুটিকে পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন বেটি।

তিনি নাকি তখনই বুঝতে পারেন, সেটা অদ্ভুত আকৃতির একটি উড়ন্ত যান। যার থেকে রংবেরঙের আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল। অনেক বছর আগে বেটির বোনও এ রকমই এক উড়ন্ত যান দেখতে পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। সে সময় বোনের সেই কথাগুলোই মনে পড়ছিল বেটির।

বেটির কাছ থেকে দূরবিনে চোখ রেখে বার্নি কিন্তু বলেছিলেন এটা কোনও বিমান হবে। পর ক্ষণেই ভুল ভাঙে বার্নির। সেই উড়ন্ত উজ্জ্বল বস্তুটি যেন হঠাৎ করেই দিক পরিবর্তন করে তাঁদের দিকে নেমে আসতে শুরু করেছিল।

ভয় পেয়েই দু’জনে গাড়িতে উঠে পড়েন এবং গাড়ি নিয়ে ওই রাস্তারই ফ্র্যাঙ্কোনিয়া নচের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করেন। উড়ন্ত ওই বস্তুটিকে দেখতে দেখতেই ধীর গতিতে তাঁদের গাড়ি এগোচ্ছিল। ওই বস্তুটিও ক্রমশ তাঁদের দিকেই যেন এগিয়ে আসছিল।

তার পর এক সময় সেটি তাঁদের গাড়ির উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে আবার যেন আকাশে উপরের দিকে উঠে গেল। দম্পতির দাবি, এর কিছু পরেই ঘটেছিল রোমহর্ষক সেই ঘটনা।

আচমকাই উপর থেকে ঠিক তাঁদের গাড়ির দিকেই দ্রুত নেমে আসতে শুরু করে বস্তুটি। ভয় পেয়ে এবং অবাক হয়ে রাস্তার মাঝেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন তাঁরা। বিশাল ছিল তার আকার কিন্তু তাতে নাকি এতটুকু শব্দ ছিল না।

বেটির ১৯৫৭ শেভ্রোলে বেল এয়ারের কিছুটা কাছে এসে থেমে যায় সেটি। দম্পতির মতে, প্রায় ৮০ থেকে ১০০ ফুট ছিল তার দৈর্ঘ্য। গাড়িটিকে এমন ভাবেই ঘিরে ধরেছিল যে বাইরে আর কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এক হাতে দূরবিন আর পকেটে পিস্তল নিয়ে গাড়ি থেকে নামেন বার্নি।

দূরবিনে চোখ রাখতেই তিনি দেখতে পান মানুষের মতো বেশ কিছু ছায়া। ছায়াগুলো যেন ওই যানের জানলা দিয়ে উঁকিঝুকি মেরে অতি উৎসাহে তাঁদেরই দেখছিল। তাদের মধ্যেই এক জন একটু যানের একেবারে সামনে এসে নিজের ভাষায় বার্নিকে নাকি সাবধানও করে দেয়। তার কথা শুনে বার্নির নাকি মনে হয়েছিল, সে বোধ হয় তাঁকে আর এগোতে মানা করেছিল।

দম্পতির কথায়, তাদের শরীর ঢাকা ছিল কালো পোশাকে। মাথাতেও টুপির মতো কিছু ছিল। এর পর একটি লাল আলো জ্বলে উঠল এবং যানের দুই পাশ দিয়ে বাদুড়ের ডানার মতো এবং যানের নীচ থেকে লম্বা একটি কাঠামো বেরিয়ে আসে।

অত্যন্ত ভয় পেয়ে যান বার্নি। পিস্তল নিয়ে গাড়ি থেকে কিছুটা এগিয়ে এসেছিলেন তিনি। বেটি ছিলেন গাড়িতেই। ছুটে গাড়িতে ফিরে যান বার্নি। যানটি তাঁদের থেকে প্রায় ৩০০ ফুট দূরে ছিল। যানের নীচ দিয়ে যে লম্বা কাঠামো মতো যন্ত্র নেমে এসেছিল বার্নি দেখেছিলেন সেটি ঠিক তাঁদের গাড়ির দিকেই তাক করা হচ্ছিল। তার পরই বার্নির মনে হয়েছিল, তাঁদের বোধ হয় অপহরণ করা হবে।

বেটিকে যানের দিকে লক্ষ্য রাখতে বলে দ্রুত গাড়ি চালাতে শুরু করেন। ঠিক যে সময়ই যেন আশেপাশের সব কিছু ভীষণ শব্দে কেঁপে ওঠে। আর মুহূর্তের মধ্যে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন দু’জনেই। যখন জ্ঞান ফেরে দু’জনেরই মাথা ঘুরছিল। পরের ঘটনা কিছুই মনে পড়ছিল না তাঁদের। উপরন্তু ঘটনাস্থল থেকে তখন আরও ৫৬ কিলোমিটার দূরে ছিলেন তাঁরা। খুব ধীর গতিতে তাঁদের গাড়ি এগিয়ে চলছিল।  রাস্তায় কী ভাবে তাঁরা এলেন বা কী হয়েছিল তাঁদের সঙ্গে কিছুই স্পষ্ট মনে ছিল না তাঁদের।

ভোরে তাঁরা নিউ হ্যাম্পশায়ারে বাড়ি পৌঁছে যান। তখনও ঘোর কাটেনি। তাঁদের দু’জনেরই হাতে থাকা ঘড়ি তার পর থেকে আর কোনও দিন চলেনি। তাঁদের দূরবিনের চামড়ার স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে গিয়েছিল। বার্নির জুতোর ফিতেও ছেঁড়া ছিল। তাঁদের পোশাকও ছেঁড়া হয়েছিল। এগুলো কখন হয়েছিল, কী ভাবে হয়েছিল কিছুই মনে করতে পারছিলেন না তাঁরা। ঘোর কাটলে দু’জনে বাথরুমে গিয়ে ভাল করে স্নান করে নেন। তার পর একসঙ্গে বসে ঘটনাপ্রবাহগুলো একসঙ্গে জুড়তে শুরু করেন।

কিন্তু সেই ভীষণ শব্দের পরের ঘটনা কেউই মনে করতে পারছিলেন না। পর দিন ঘুম থেকে উঠে সেই পোশাকগুলো পর্যবেক্ষণ করার সময় তাতে গোলাপি রঙের পাউডারের মতো কিছু দেখতে পান বেটি। বাতাসের সংস্পর্শে আসামাত্র তা নাকি উধাও হয়ে যায়। বছরের পর বছর ধরে বেটির সেই পোশাক নিয়ে প্রচুর গবেষণাও চলেছে। কিন্তু গোলাপি পাউডার কী ছিল তা জানা যায়নি।

তাঁদের গাড়ির গায়ের উজ্জ্বল গোলাকার দাগ ছিল। বেটি এবং বার্নি অনেকবার কম্পাস নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। তাঁরা লক্ষ্য করেছেন, দাগগুলোর কাছে কম্পাসের কাঁটা ঘুরতে শুরু করে আবার সেখান থেকে কিছু দূরে গেলেই আবার থেমে যায়।

ঘটনার দু’দিন পর বিমানবাহিনীকে ফোন করে ইউএফও-র কথা জানান বেটি। কিন্তু তাঁদের মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে হতে পারে এই ভেবে পুরোটা খুলে বলেননি। পরে অবশ্য পুরোটাই প্রকাশ করেছিলেন। আমেরিকা এয়ারফোর্সের ইউএফও রিসার্চ প্রজেক্ট ‘প্রজেক্ট ব্লু বুক’-এ ঘটনার তদন্তভার যায়।

এর এক মাস পরে বেটি এবং বার্নির সঙ্গে দেখা করেন বস্টনের তত্কালীন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন কমিটি অন এরিয়াল ফেনোমেনা-র সদস্য ওয়াল্টার। তিনি সমস্ত ঘটনা শুনে এবং গবেষণা করে দাবি করেন, বার্নি এবং বেটি এতটুকু বানিয়ে বলছেন না। ওই উড়ন্ত যানের আকার, দৈর্ঘ্য, উচ্চতা, ঘটনার সময়, যান থেকে তাঁদের দূরত্ব এই তথ্যগুলো শুধু সঠিক বলতে পারেননি তাঁরা। আর যে মানুষের মতো ছায়াশরীরের কথা বার্নি জানিয়েছিলেন, তারাও নাকি মানুষ ছিল না।

প্রচুর গবেষণা হয়েছে এ নিয়ে। অনেক চেষ্টা চলেছে তাঁদের জীবনের ওই ‘মিসিং টাইম’ মনে করানোর। কিন্তু কিছুতেই কোনও কাজ হয়নি। ঘটনার এক বছর পর তাঁরা সম্মোহনের সাহায্য নিয়ে ওই মিসিং টাইম-এর স্মৃতি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেন। সম্মোহিত হয়ে বার্নি সে দিনের কিছু ঘটনা বলেন যা শুনে বেটি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন।

কারণ ওই ঘটনার ১০ দিন পর থেকে টানা ৫ রাত নাকি একই স্বপ্ন দেখেছিলেন বেটি। স্বপ্নের কথা তিনি বার্নিকে এক বারই মাত্র জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘটনার এক বছর পর সম্মোহিত হয়ে বার্নি যে কথাগুলো বলছিলেন তা যেন বেটির সেই স্বপ্নেরই পুনরাবৃত্তি।

তাঁর সেই স্বপ্ন অনুযায়ী, ওই রাতে প্রচণ্ড শব্দে জ্ঞান হারানোর পর যান থেকে কয়েক জন তাঁদের কাছে এগিয়ে আসে। তার পর বার্নিকে চোখ বুজে ফেলতে বলে এবং বুজে থাকা তাঁর চোখের মধ্যে নিজেদের চোখ ঢুকিয়ে দেয় ভিন্‌গ্রহীরা। তার পর তাঁদের ধরে যানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দু’জনকেই আলাদা ঘরে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যায়।

চোখের পাতা, কানের পাতা, মেরুদণ্ড, হাত, পা এবং যৌনাঙ্গ থেকেও নাকি নমুনা সংগ্রহ করে তারা। বার্নির মনে হয়েছিল তাঁর যৌনাঙ্গ থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করেছিল তারা। কিন্তু বেটির যৌনাঙ্গে কিছু একটা যন্ত্র ঢুকিয়ে দিয়েছিল। একইভাবে পায়ু ছিদ্রেও নাকি যন্ত্র প্রবেশ করানো হয়। এক জন আবার মেরুদণ্ডের কশেরুকাও গুনে নিচ্ছিল। তার পর দু’জনেরই মনে হয় ঘুমের মধ্যে হাঁটছিলেন। তারা নিজেদের মধ্যে অন্য ভাষায় কথা বলছিল কিন্তু তাঁদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলছিল। তবে কথা বলার সময় তাদের নাকি মুখ নড়ছিল না। স্বপ্নে ঠিক এ রকমই দেখেছিলেন বেটি।

স্বপ্নের পাশাপাশি সম্মোহনের সময়ও ঠিক এই কথাগুলোরই যেন পুনরাবৃত্তি হচ্ছিল বেটির মুখে। সিমনস নামে এক ব্যক্তি তাঁদের সম্মোহনের ভার নিয়েছিলেন। সব শোনার পর তাঁর মতামত ছিল, বেটির স্বপ্ন শুনেই প্রভাবিত হন বার্নি। যদিও বার্নি এবং বেটি তা মানেননি। তবে ওই রাতের পর থেকে তাঁদের দু’জনের ভিতরেই যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল সম্মোহনের পর তা পুরোপুরি কেটে যায়। ভিন্‌গ্রহীদের অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়েই দু’জনে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসেন।

বেটির লাই ডিটেক্টর টেস্টও হয়েছিল। তাতেও উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছিলেন। ফলে আরও অবাক হয়েছিল বিশ্ব। কিন্তু পরে গবেষকেরা জানিয়েছিলেন, বাস্তবের সঙ্গে মিল না থাকলেও এই পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। কারণ বেটি মিথ্যা বা বানিয়ে কিছু বলছেন না। বেটির বিশ্বাস করেন এই ঘটনা।

বার্নি এবং বেটি দু’জনেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। আগেও ইউএফও এবং ভিন্‌গ্রহীদের দেখতে পাওয়ার একাধিক ঘটনা বা অভিজ্ঞতার কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু বেটি-বার্নিই ছিলেন প্রথম যাঁদের ভিন্‌গ্রহীরা ‘অপহরণ’ করেছিল। ঘটনার ৮ বছর পর মাত্র ৪৬ বছর হয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে মৃত্যু হয় বার্নির। ২০০৪ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ৮৫ বছর বয়সে মারা যান বেটি।