পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যুদ্ধের কারণে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতা আবারও সামনে এনে দিয়েছে বলে জানালেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘নির্ভরযোগ্য ও দূষণমুক্ত বিদ্যুতের উৎস হিসেবে পরমাণু শক্তি নির্ভরযোগ্য। পরমাণু চুল্লি স্থাপন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ইউরোপের একটি কৌশলগত ভুল ছিল।’’
মঙ্গলবার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এক আলোচনাসভায় উরসুলা বলেন, ‘‘মধ্যপ্রাচ্যের (পশ্চিম এশিয়া) সংঘাতের কারণে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ইউরোপকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।’’ ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতির মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য, পরিবেশবান্ধব জ্বালানির পাশাপাশি পরমাণু শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আরও পড়ুন:
প্যারিসের ওই সভায় উরসুলা জানান, ১৯৯০ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই আসত পরমাণু বিদ্যুৎ থেকে। বর্তমানে সেই হার কমে প্রায় ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তিন বছর আগে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ইউরোপের সামনে জ্বালানি সঙ্কটের ছায়া দিয়েছে বলে জানিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানির পাশাপাশি পরমাণু শক্তির মতো স্থিতিশীল উৎসের উপরও গুরুত্ব দিতে হবে।’’