×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৫ মে ২০২১ ই-পেপার

আন্তর্জাতিক

ভারতে প্রশিক্ষণ, বহু বাধা পেরিয়ে জিম প্রশিক্ষক, পথ দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের বডিবিল্ডার মাকসুদা

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৮ এপ্রিল ২০২১ ১৩:৪৭
দেহসৌষ্ঠব নিয়ে বরাবরই একটি ট্যাবু রয়েছে মহিলাদের মধ্যে। আজও কোনও মহিলা শরীরচর্চা করলে অনেকেই বাঁকা নজরে দেখেন কিংবা ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন।

পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই শরীরচর্চা করা অত্যন্ত প্রয়োজন। ইউরোপের দেশগুলি এ ক্ষেত্রে কিছুটা আধুনিক মানসিকতার পরিচয় দিলেও উপমহাদেশের দেশগুলিতে দৃষ্টিভঙ্গীর এই সমস্যা প্রবল। মহিলাদের দেহসৌষ্ঠব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তাই অন্য প্রতিবেশী দেশগুলির মতো সমস্যা রয়েছে বাংলাদেশেও।
Advertisement
সেই কঠোর বেড়াজাল ভেঙে এগিয়ে এসেছেন মাকসুদা মউ, বাংলাদেশের মহিলা বডিবিল্ডার।

সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশের দেহসৌষ্ঠব প্রতিযোগিতায় জয়ী হলেন। মাকসুদার সামনেও অনেক বাধা এসেছে। সে সব পেরিয়ে আজ তিনি বহু মহিলার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।
Advertisement
ছোট থেকে অবশ্য শরীরচর্চার প্রতি কোনও আলাদা ভাললাগা ছিল না তাঁর। মাকসুদা পড়াশোনার জন্য কয়েক বছর ভারতে ছিলেন। তখনই তিনি সুস্থ থাকার জন্য জিমে যোগ দেন।

ক্রমে শরীরচর্চা তাঁর রোজকার অভ্যাসে পরিণত হয়। প্রতি দিন যেমন খেতে, ঘুমতে হয়, শরীরচর্চাও তাঁর কাছে ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

মাকসুদা স্থির করেন শরীরচর্চা নিয়ে আরও গভীরে জানবেন। ভারতেরই একটি সংস্থা থেকে তিনি প্রশিক্ষণ নেন।

বাংলাদেশে ফিরে জিম প্রশিক্ষক হয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি মহিলা বডিবিল্ডার হওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করে দেন।

কিন্তু এই কাজ করতে গিয়ে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। জিমে শরীরচর্চা করতে আসা বেশির ভাগ পুরুষ একজন মহিলাকে প্রশিক্ষক হিসাবে মেনে নিতে পারতেন না।

তার উপর ছোট পোশাক পরার জন্যও কুকথা শুনতে হয়েছে। কিন্তু এই লড়াইয়ে প্রথম থেকেই তিনি পাশে পেয়েছেন পরিবারকে।

২০১৯ সালে প্রথমবার বাংলাদেশ মহিলা দেহসৌষ্ঠব প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হন।

নিজের খামতিগুলিতে চিহ্নিত করে ফের লড়াই শুরু হয় তাঁর। ২০২০ সালে ওই প্রতিযোগিতার বিজেতা হন তিনি।

Tags: