Advertisement
E-Paper

পিছু হটছেন ট্রাম্প? মিনিয়াপোলিস থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অভিবাসন শীর্ষকর্তা বোভিনোকে

গত শনিবার মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন এজেন্টদের গুলিতে মৃত্যু হয় অ্যালেক্স প্রেটির। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় শহর। ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে দাবি করেছিল, আত্মরক্ষার স্বার্থে গুলি চালিয়েছিলেন ওই অভিবাসন কর্তা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:২৫
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। — ফাইল চিত্র।

সুরবদল করেছিলেন আগেই। এ বার মিনিয়াপোলিস নিয়ে আগের অবস্থান থেকে কিছুটা পিছু হটলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখান থেকে সরানো হল সীমান্তে টহলরত বাহিনীর কমান্ডার গ্রেগরি বোভিনো-সহ কয়েক জনকে। শীঘ্রই মিনিয়াপোলিস ছাড়ছেন তাঁরা। বোভিনোর জায়গায় ওই দায়িত্ব সামলাবেন টম হোমান। মনে করা হচ্ছে, অভিবাসন বিরোধী অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাব একটু হলেও শিথিল হয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউসের এই ঘোষণার পরেও অনলাইনে ট্র্যাক করে দেখা গিয়েছে, মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন বিরোধী অভিযান চলছে।

গত শনিবার মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন এজেন্টদের গুলিতে মৃত্যু হয় অ্যালেক্স প্রেটির। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় শহর। ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে দাবি করেছিল, আত্মরক্ষার স্বার্থে গুলি চালিয়েছিলেন ওই অভিবাসন কর্তা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন বিক্ষোভকারী প্রেটির হাতে অস্ত্র ছিল। যদিও নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁর হাতে ছিল মোবাইল ফোন। এই নিয়ে শহরের ডেমোক্র্যাটিক নেতাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডাও হয় ট্রাম্পের। নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির কোনও কোনও সদস্যের প্রশ্নের মুখেও পড়েন তিনি।

এই আবহে ট্রাম্প জানান, মিনিয়াপোলিসের ডেমোক্র্যাট প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। সেই আলোচনাকে ‘ইতিবাচক’ বলেন তিনি। তার পরেই বোভিনোকে পদ থেকে সরানোর কথা জানায় হোয়াইট হাউস। যে অভিবাসন বিরোধী অভিযানকারী দলের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন প্রেটি, তার নেতৃত্বে ছিলেন বোভিনো। তিনি দাবি করেছিলেন, প্রেটি যুক্তরাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ‘সংহার’ করতে চেয়েছিলেন। হোমল্যান্ড সিকিউিরিটি বিভাগ জানায়, এজেন্টরা আত্মরক্ষার্থেই প্রেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন শহরে ট্রাম্প প্রশাসন যে অভিবাসন বিরোধী অভিযান চালিয়েছে, তার নেতৃত্ব দেন বোভিনো। সেই অভিযানের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে নিয়মিত পোস্টও করেন তিনি। এ বার তাঁর জায়গায় বসেছেন হোমান, যাঁর অবশ্য এই ধরনের অভিযানের অভিজ্ঞতা দীর্ঘ দিনের। ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়েও অভিবাসন দফতরের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি।

শনিবার মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন দফতরের অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালীন অ্যালেক্সকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ ওঠে আইসিই কর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ওই যুবককে প্রথমে রাস্তায় ফেলে মারধর করে আইসিই। তার পর এক অফিসার গুলি চালান। দীর্ঘ ক্ষণ রাস্তার উপর পড়ে ছিল যুবকের দেহ। এই ঘটনার পর মিনিয়াপোলিসে প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে। ঘটনার পর পরই ট্রাম্প বিষয়টিকে ‘সমর্থন’ করেছিলেন। তবে ওয়াল স্ট্রিট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান থেকে সরে এলেন ট্রাম্প। অনেকের মতে, আন্দোলন, বিক্ষোভ, সমালোচনার কারণেই পিছু হটতে হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।

Donald Trump
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy