ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তিচুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ করতে দেরি করেছে দুই মধ্যস্থতাকারী দেশ, পাকিস্তান এবং কাতারের সংবাদমাধ্যম। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স শনিবার এ নিয়ে খোঁচা দিলেন ইসলামাবাদ এবং দোহাকে। তাঁর পরিহাস-সূচক মন্তব্য— ‘‘পাকিস্তান ও কাতারের ব্যবস্থায় ‘ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট’ (মার্কিন সংবিধানের বহুচর্চিত ‘প্রথম সংশোধনী’) এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ঠিক সেই ভাবে নেই।”
হালকা মেজাজে কথাগুলি বললেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বস্ত সহযোগীর এমন মন্তব্যে পাকিস্তান ও কাতারের প্রতি প্রচ্ছন্ন শ্লেষ রয়েছে বলেই কূটনীতি পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন। প্রসঙ্গত, মার্কিন সংবিধানের ‘বিল অব রাইটস’ সংক্রান্ত প্রথম সংশোধনীতে পাঁচটি মৌলিক অধিকার— ধর্মাচরণ, বাক্ স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং সরকারের কাছে আবেদন করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ভান্সের এই মন্তব্য ইসলামাবাদের পক্ষে বিব্রতকর বলেই কূটনীতিকদের একাংশ মনে করছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ১৫ জুন অন্তর্বর্তিকালীন শান্তিচুক্তির ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ওয়াশিংটন-তেহরান ‘মউ’-এর খসড়া আনুষ্ঠানিক ভাবে আমেরিকার তরফে প্রকাশ করা হয় তার দু’দিন পরে। শনিবার ভান্স বলেছেন, আমেরিকা-ইরান সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা শর্তাবলি প্রকাশ করতে ওয়াশিংটন যে দেরি করেছিল তার অন্যতম কারণ হল, পাকিস্তান ও কাতারে আমেরিকার মতো সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা আসলে এটি প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম।’’ কিন্তু ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে এড়াতেই শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সে পথে হাঁটেনি বলে জানান তিনি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
১৬:১৪
হিজ়বুল্লার সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ জানিয়েও ফের ইজ়রায়েলি হানা লেবাননে! শান্তিচুক্তিতে নারাজ নেতানিয়াহুর কৌশল কী? -
০৮:০৩
সুইৎজ়ারল্যান্ডের পথে ট্রাম্পের দূত, ইরান থেকে যেতে পারেন বিদেশমন্ত্রী আরাঘচি, জল্পনায় শান্তি-বৈঠকের প্রথম দফা -
সুইৎজ়ারল্যান্ডে পিছিয়ে গেল আমেরিকা-ইরানের বৈঠক! সফর হঠাৎ বাতিল করে দিলেন ভান্স, শান্তির পথে ফের বাধা?
-
দ্বন্দ্ব থামিয়ে সমঝোতার পথে আমেরিকা-ইরান! মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রইল পাকিস্তানের নাম, কোন কোন শর্তে সন্ধি হল?
-
‘চুক্তি পছন্দ না হলে ইরানে ফের বোমা ফেলব’, যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের দু’দিন আগে জি৭ শীর্ষবৈঠকে নয়া সুর ট্রাম্পের