Advertisement
E-Paper

সেনেট ভাঙল সেনাবাহিনী, বন্ধ মার্কিন সাহায্য

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইংলাক শিনাবাত্রাকে আটক করার পর দিনই সেনেট ভেঙে দিল তাইল্যান্ডের সেনা। তবে এ দিন তারা জানিয়েছে, নিরাপদেই আছেন ইংলাক। কিন্তু কোথায় তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে নিয়ে মুখ খোলেনি তারা। শুধু বলা হয়েছে, এক সপ্তাহ তাঁকে আটক রাখা হবে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০১৪ ০২:২০

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইংলাক শিনাবাত্রাকে আটক করার পর দিনই সেনেট ভেঙে দিল তাইল্যান্ডের সেনা। তবে এ দিন তারা জানিয়েছে, নিরাপদেই আছেন ইংলাক। কিন্তু কোথায় তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে নিয়ে মুখ খোলেনি তারা। শুধু বলা হয়েছে, এক সপ্তাহ তাঁকে আটক রাখা হবে। তা ছাড়া, এ দিন আরও ৩৫ জনকে সমন পাঠানো হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। এই আগ্রাসনের প্রতিবাদে এ দিন বেশ কিছু অর্থসাহায্য বন্ধের ঘোষণা করেছে মার্কিন প্রশাসন।

তাইল্যান্ডের বাসিন্দাদের একাংশও এই সেনাশাসনের বিরোধী। এ দিন সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে ব্যাঙ্ককের একটি মলে হাজির হন অন্তত ২০০ মানুষ। তাঁদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড ‘অ্যান্টি দা কু’। পুলিশ তাঁদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে সেই জমায়েত দক্ষিণের ‘ভিক্টরি মনুমেন্ট’-এর দিকে সরে যেতে চাইলে তাঁদের পথ আটকায় পুলিশ ও সেনা। বিক্ষোভকারী ও পুলিশ-সেনার মধ্যে সংঘর্ষও হয়। তবে তাতে কেউ হতাহত হননি। কিন্তু চিন্তার জায়গাটা অন্যত্র। আসলে, ইংলাক তথা তাকসিন সমর্থক ‘রেড শার্ট’ বাহিনী সামরিক আইন জারি হওয়ার পর থেকেই বিক্ষোভ দেখানোর হুমকি দিয়ে রেখেছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে দক্ষ। এখন বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় যদি তাঁরা অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবহার শুরু করেন, সে ক্ষেত্রে আপাত শান্ত তাইল্যান্ড কতটা রক্তাক্ত হবে, তা ভেবেই চিন্তায় বাসিন্দারা।

তবে আপাতত সে সব নিয়ে ভাবতে নারাজ সেনাপ্রধান তথা অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান-ওচা। আজ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, “এর পর কোনও আইন যেগুলি অনুমোদন করতে পার্লামেন্ট বা সেনেটের অনুমোদন লাগত, তার দায়িত্বে থাকবেন প্রয়ুথ।” একই সঙ্গে এ দিন জানানো হয় ইংলাক এবং বাকি নেতারা যাতে সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, সে জন্যই তাঁদের আটক করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

এ সব কথায় অবশ্য তুষ্ট নয় আমেরিকা। মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের উপ-মুখপাত্র মেরি হার্ফ এ দিন বলেন, “আমরা কিছু অর্থসাহায্য ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দিয়েছি। আরও কিছু বন্ধ করা হবে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” গত কালই মার্কিন বিদেশসচিব জন কেরি জানিয়েছিলেন কোনও পরিস্থিতিতেই সেনা অভ্যুত্থান যুক্তিযুক্ত নয়। এ দিন জানা গিয়েছে মার্কিন সেনাপ্রধান বিষয়টি নিয়ে প্রয়ুথের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন।

কিন্তু এত কথা-আলাপের পরিণতি যে ইতিবাচক হবেই, তা নিয়ে নিশ্চিত নয় গোটা বিশ্ব। কারণ ইতিহাস বলছে, এর আগে ১১ বার সেনা অভ্যুত্থান হয়েছে তাইল্যান্ডে। সেখান থেকে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফেরাতে একাধিক বার উত্তালও হয়েছে তাইল্যান্ড। এ বার যাতে সে সব না নয়, সে প্রার্থনাই করছেন আম জনতা।

bangkok ingluck sinabatra senet
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy