E-Paper

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার যুগেও মানুষের ভাবনার মূল্য গুরুত্বপূর্ণ, পথ দেখাচ্ছে প্রতিষ্ঠান

ভবিষ্যতে সফল হবে তারাই, যারা শুধু এআই-এর ওপর নির্ভর করবে না, বরং নিজের বুদ্ধি, সৃজনশীলতা এবং মানবিক গুণাবলি কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু করতে পারবে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১৫:৫৮
‘বিড়লা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’

‘বিড়লা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আমাদের পড়াশোনা, কাজকর্ম এবং দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহার হচ্ছে। তাই অনেক শিক্ষার্থীর মনে প্রশ্ন জাগে, ভবিষ্যতে কি এআই মানুষের জায়গা দখল করে নেবে? এই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন ‘বিড়লা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’-র ‘বিড়লা স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট’-এর মার্কেটিংয়ের সহকারী অধ্যাপক, বিবেক মিশ্র (পিএইচডি)।

আসল বিষয় হল, ভবিষ্যতে সফল হবে তারাই, যারা শুধু এআই-এর ওপর নির্ভর করবে না, বরং নিজের বুদ্ধি, সৃজনশীলতা এবং মানবিক গুণাবলি কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু করতে পারবে।

এআই এখন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে রিপোর্ট লিখতে পারে, অঙ্ক কষতে পারে, তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, এমনকি ছবি বা শিল্পকর্মও তৈরি করতে পারে। কিন্তু মানুষের মতো অনুভূতি, সহানুভূতি, কল্পনাশক্তি বা ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা এআই-এর নেই। তাই শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য এআই-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা নয়, বরং এআই-কে কাজে লাগিয়ে নিজের সৃজনশীলতা এবং চিন্তাশক্তিকে আরও দক্ষ করে তোলা।

অধ্যাপক বিবেক মিশ্র

অধ্যাপক বিবেক মিশ্র

ভবিষ্যতে তারাই সফল হবে, যারা শুধু উত্তর জানবে না, সঠিক প্রশ্ন করতেও শিখবে। সৃজনশীল চিন্তা, ভাল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণ, একসঙ্গে কাজ করার দক্ষতা এবং নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। চাকরির ক্ষেত্রেও এমন মানুষদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে, যারা নতুন ভাবনা ভাবতে পারবে, সমস্যার সমাধান করতে পারবে এবং কঠিন সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তাই শিক্ষাব্যবস্থারও বদল দরকার। শুধু পরীক্ষার নম্বর বা মুখস্থ বিদ্যার ওপর জোর না দিয়ে স্কুল-কলেজগুলিকে এমন শিক্ষা দিতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হয়, তাদের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে ওঠে এবং বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান করতে শেখে। শুধু এআই কী ভাবে কাজ করে তা জানাই যথেষ্ট নয়, কখন মানুষের চিন্তাভাবনা ও বিচারবুদ্ধি বেশি প্রয়োজন, সেটাও বুঝতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এআই-কে ভয় না পেয়ে তাকে সহযোগী হিসেবে দেখা। যেমন ক্যালকুলেটর আসার পর গণিতবিদদের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি বা কম্পিউটার মানুষের কাজ পুরোপুরি বদলে দেয়নি, তেমনই এআই-ও মানুষের জায়গা নেবে না, বরং এটি কাজকে আরও সহজ করবে এবং নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

ভবিষ্যতে তারাই এগিয়ে থাকবে, যারা নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখবে, মানবিক মূল্যবোধ বজায় রাখবে এবং নিজের চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগাবে। মেশিন হয়তো খুব দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু অনুভব করা, স্বপ্ন দেখা এবং নতুন ভাবনা ভাবা মানুষেরই বিশেষ ক্ষমতা। তাই এআই-এর যুগে সফল হতে হলে শুধু জ্ঞান থাকলেই হবে না, সৃজনশীলভাবে ও গভীরভাবে চিন্তা করার ক্ষমতাও থাকতে হবে।

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘বিড়লা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Management College Artificial Intelligence humanity

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy