E-Paper

কিডনিতে পাথর জমছে বার বার! সমাধান কোন পথে? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

কোমরের নীচে মারাত্বক যন্ত্রণা হচ্ছে। পরীক্ষা করে দেখা গেল কিডনিতে পাথর। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা বের করে দিলেও, অনেক সময়েই দেখা যায় বার বার পাথর হচ্ছে। এর কারণ কী?

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১৫:৫৪
কিডনিতে পাথর থেকে সাবধান!

কিডনিতে পাথর থেকে সাবধান!

কোমরের নীচে মারাত্বক যন্ত্রণা হচ্ছে। পরীক্ষা করে দেখা গেল কিডনিতে পাথর। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা বের করে দিলেও, অনেক সময়েই দেখা যায় বার বার পাথর হচ্ছে। এর কারণ কী?

এই বিষয়েই আলোচনা করলেন মণিপাল হাসপাতাল, ই এম বাইপাসের সিনিয়র কনসালটেন্ট - ইউরো-অনকোলজি এবং বিভাগীয় প্রধান, এমবিবিএস, এমএস, ডিএনবি (ইউরোলজি), এসআর (ইউরো-অনকোলজি), চিকিৎসক অভয় কুমার; কনসালটেন্ট ইউরোলজিস্ট, এমবিবিএস, এমএস, ডিএনবি, এমসিএইচ (ইউরোলজি), চিকিৎসক বিক্রম হালদার এবং কনসালটেন্ট ইউরো-অনকোলজি, এমবিবিএস, ডিএনবি (জেনারেল সার্জারি), এমসিএইচ (ইউরোলজি), এফএমএএস (এএমএএসআই), এমএনএএমএস, চিকিৎসক নীরজ আগরওয়াল।

বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:

কিডনির সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করলেন মণিপাল হাসপাতাল, ই এম বাইপাসের চিকিৎসক অভয় কুমার, চিকিৎসক বিক্রম হালদার এবং চিকিৎসক নীরজ আগরওয়াল।

চিকিৎসক বিক্রম হালদার জানান কিডনিতে পাথর বার বার ফিরে আসার কারণ হিসেবে খাদ্যাভাস, জীবনযাত্রার ধরন আবার জিনগত কারণও দায়ী হতে পারে। তা হলে কী ভাবে এর সমাধান করা যাবে?

অন্ততপক্ষে তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার জল খেতে হবে। অতিরিক্ত নুন এবং বাইরের ফাস্ট ফুড খাওয়া কমাতে হবে। আমিষ খাবারে প্রোটিনের মাত্রা বেশি থাকে, আবার যাঁরা জিম করেন তাঁরা বেশি মাত্রায় প্রোটিন খান, এর ফলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। লিভার, কিডনি এর পরিমাণ যতটা নিতে পারে তার থেকে বেশি হয়ে গেলেই তা কিডনিতে পাথর হিসেবে জমা হয়।

অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন থাকে, তারা কী খাবেন এবং কী খাবেন না, যাতে কিডনিতে পাথর না হয়। এই বিষয়ে চিকিৎসক অভয় কুমার জানান যাই খাওয়া হোক না কেন তা সংযম রেখে খাওয়া প্রয়োজন এবং তার সঙ্গে প্রচুর জল খাওয়া জরুরি, যাতে শরীর থেকে তা বেরিয়ে যেতে পারে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে দেখা যায় ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে অনেকেই প্রস্টেটের সমস্যায় ভোগেন। এ ক্ষেত্রে কী করা উচিৎ?

চিকিৎসক নীরজ আগরওয়াল জানান প্রায় ৬৫ শতাংশ পুরুষরা প্রস্টেটের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু ওষুধের মাধ্যমে এর প্রাথমিক চিকিৎসা সম্ভব। তবে যে সব রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধ কাজ করে না অথবা কিডনি ফুলে গেছে, পাথর তৈরি হয়েছে কিংবা সংক্রমণ হচ্ছে, তাদের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়ে পরে।

আরেকটি কার্যকর পদ্ধতি হল রিজ়ম থেরাপি অথবা গরম জলের সাহায্যে ভাপ নিয়ে রোগীকে সুস্থ করা। যেসব রোগীর বয়স, হার্ট বা কিডনির সমস্যা, এইসব বিভিন্ন কারণে অস্ত্রোপচার করা কঠিন, তাদের ক্ষেত্রে রিজ়ম থেরাপি প্রয়োগ করে ভাল ফল পাওয়া গেছে।

অনেকসময় আলট্রাসাউন্ডে কিডনিতে সিস্ট ধরা পরে। এই সিস্টগুলি কী কোনও ভয়ের কারণ হতে পারে?

চিকিৎসক অভয় কুমার বলেন এই সিস্টগুলি খুবই সাধারণ। কিন্তু সব সিস্টই খারাপ হয় না। তবে কিছু কিছু সিস্ট থাকে যাদের মাল্টিসিস্টিক কিডনির রোগ বলা হয়। এক্ষেত্রে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। আবার কিছু সিস্ট এমন থাকে যার জটিলতা অনেক বেশি, যার থেকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘মণিপাল হাসপাতাল’-এর সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Manipal Hopsital Kidney stone Kidney Treatment

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy