E-Paper

বড়দিনের দুপুরে কেক-আড্ডা-হুল্লোড়! ‘আনমোল মেরি ডিলাইট’-এর হাত ধরে ক্রিসমাস যাপন শহরের তিন আবাসনে

উৎসবের মেজাজে নতুন রঙের প্রলেপ লাগাতে শহরের তিন নামী আবাসনে পৌঁছে গিয়েছিল ‘আনমোল মেরি ডিলাইট’। সঙ্গী আনন্দবাজার ডট কম।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৩১
‘আনমোল’-এর কেক স্টল

‘আনমোল’-এর কেক স্টল

ক্যালেন্ডারের পাতায় ২৫শে ডিসেম্বর মানেই তো বাঙালির চেনা ‘উইন্টার কার্নিভাল’। সাহেবদের বড়দিন এখন শহর কলকাতার পাড়ায় পাড়ায় ঘরের উৎসব। আর সেই উৎসবের মেজাজে নতুন রঙের প্রলেপ লাগাতে এবার শহরের তিন নামী আবাসনে পৌঁছে গিয়েছিল ‘আনমোল মেরি ডিলাইট’। সঙ্গী আনন্দবাজার ডট কম।

উতালিকা (এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কমফোর্ট), মহেশতলার গ্রিনফিল্ড সিটি এবং আরবান সবুজায়ন কমপ্লেক্স, ২৫ ডিসেম্বর, বুধবার এই তিন ঠিকানায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলল এক এলাহি উৎসব। লক্ষ্য একটাই, চার দেওয়ালের ফ্ল্যাট-জীবন থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবেশীদের সঙ্গে এক টুকরো আনন্দ ভাগ করে নেওয়া।

উৎসবের শুরুটা হয়েছিল সকাল ১০টায়। যখন শীতের মিষ্টি রোদ এসে পড়েছে আবাসনের লম্বা লনে। কচিকাঁচাদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ‘বসে আঁকো’ প্রতিযোগিতার। বিষয় ছিল ‘বড়দিনের উৎসব’। ছোট ছোট আঙুলের ছোঁয়ায় কেউ আঁকল লাল টুপির সান্তা, কেউ আবার রঙিন আলোয় সাজানো ক্রিসমাস ট্রি। বাচ্চাদের সঙ্গে তিন আবাসনের চত্বর যেন এক নিমেষে হয়ে উঠেছিল অন্য দুনিয়া।

আবাসনগুলির বিকেলের আমেজটা ছিল আরও জমজমাট। বাড়ির গিন্নিরা তো আর পিছিয়ে থাকতে পারেন না! তাঁদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ারের লড়াই। হার-জিত যাই হোক না কেন, মিউজিক বন্ধ হতেই সিটের জন্য সেই কাড়াকাড়ি আর হুল্লোড় ফিরিয়ে দিয়েছিল স্কুলবেলার নস্টালজিয়া। শীর্ষ তিন বিজয়ীর জন্য ছিল ‘আনমোল’-এর তরফ থেকে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

অন্যদিকে, নজর কাড়লেন দম্পতিরা। ‘দম্পতির সেরা সাজ’ ইভেন্টে লাল-সাদা পোশাকে সেজে আসা দম্পতিদের দেখে মনে হচ্ছিল, সান্তা ক্লজ় যেন নিজের হাতেই সাজিয়ে দিয়েছেন গোটা অনুষ্ঠান। সেরা জুটির হাতে যখন উপহার তুলে দেওয়া হলো, তখন চারদিকে শুধুই হাততালির গুঞ্জন।

তবে গোটা ইভেন্টের আসল হিরো ছিল ‘আনমোল’-এর সেই কেক স্টল যা ‘প্রত্যেক বাইটে ক্রিসমাসের স্বাদ’— এই ট্যাগলাইনকে সার্থক করে। স্টল থেকে আসছিল তাজা বেকড কেকের সুবাস, যা সুন্দর করে তুলেছিল আবাসিকদের ‘হার পাল আনমোল’ মুহূর্ত। ফ্রুট কেক থেকে শুরু করে বাটার ক্যাসু কেক, কিংবা ভেজ কেক, সবের ওপরেই ছিল ২০ শতাংশ ছাড়। দিনের শেষে দেখা গেল, ছোট-বড় সবার হাতেই ‘আনমোল মেরি ডিলাইট’-এর লাল রঙের বাক্স।

বড়দিন মানে তো শুধু যিশুর জন্মদিন নয়, বড়দিন মানে প্রতিবেশীর সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠা, মিলেমিশে কেক ভাগ করে খাওয়া। আনন্দবাজার ডট কম-কে এক বাসিন্দা জানালেন, “কাজের চাপে প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেখাই হয় না, আনমোলের এই উদ্যোগ আমাদের সবাইকে এক ছাদের তলায় এনে দাঁড় করাল।”

রাত আটটায় যখন উৎসবের আলো নিভল, তখন প্রত্যেকের মনেই মিশে ছিল ‘আনমোল’-এর কেকের সেই মিষ্টি স্বাদ আর বন্ধুত্বের রেশ। শহরের এই তিন আবাসনের বাসিন্দাদের কাছে ২০২৫-এর বড়দিন তাই হয়ে রইল এক জ্যান্ত ফ্রেমের মতো রঙিন।

বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:

www.anmolindustries.com

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘আনমোল মেরি ডিলাইট’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Anmol Merry Delight Christmas Cake Residential complex Share The Delight Anmol Biscuits Anmol Bake

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy