রাজ্যে নতুন করে পুঁজি ঢেলে আগামী দিনে আরও একটি কারখানা তৈরির ইঙ্গিত দিল ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজ।
এখন তারাতলায় সংস্থার একটি কারখানা রয়েছে। সোমবার ব্রিটানিয়ার চেয়ারম্যান নুসলি ওয়াদিয়া এবং এমডি বরুণ বেরি জানান, সেখানে সম্প্রসারণের সুযোগ কম। তাই ভবিষ্যতে রাজ্যের অন্য কোথাও নতুন কারখানা খোলার কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এ দিন ব্রিটানিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভাতেই ওই নতুন লগ্নির ইঙ্গিত দেন ওয়াদিয়া। পরে বেরি জানান, পূর্বা়ঞ্চলে ব্যবসা বাড়ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে উৎপাদন ক্ষমতায় ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবস্থা সামলাতে নতুন কারখানা গড়তে হবে। তবে একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ‘‘বছর দু’য়েকের আগে হয়তো নতুন কারখানার প্রয়োজন পড়বে না।’’
বেরির মতে, একটি কারখানা গড়তে ১২-১৪ মাস লাগে। সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হলে জমি ও লগ্নির বিষয়ে বছর খানেক পরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে লগ্নির অঙ্ক প্রসঙ্গে মুখ না-খুললেও তিনি বলেন, সাধারণত ১০০-১৫০ কোটি টাকা খরচ হয় নতুন কারখানা গড়তে। জমি লাগে প্রায় ২০ একর। তা ছাড়া, দুই শীর্ষ কর্তার দাবি, তারাতলা কারখানায় সম্প্রসারণের সুযোগ কম হলেও সেখানে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও গুজরাতে অবশ্য তিনটি নতুন কারখানা তৈরির সিদ্ধান্ত পাকা করেছে ব্রিটানিয়া।
শতাব্দী-প্রাচীন এই সংস্থাটি এ দিন ফের জানিয়েছে, পুরোদস্তুর খাদ্যসামগ্রী তৈরির সংস্থা হিসেবে আগামী দিনে আরও পোক্ত জায়গা পেতে চায় তারা। বেঙ্গালুরুর গবেষণা কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
চলতি অর্থ বর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে সংস্থাটির ব্যবসা ৮% বেড়ে হয়েছে ২,১৬২ কোটি টাকা। নিট মুনাফা ১৩% বেড়ে হয়েছে ২১৯কোটি।