বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্র মেনে নিল, বেকারত্বের হার ৪৫ বছরের মধ্যে সব থেকে বেশি দেখিয়েছিল যে সরকারি (এনএসএসও-র) রিপোর্ট, তা আসলে ফাঁসই হয়েছিল। পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ সিংহের দাবি, এর পিছনে কার হাত আছে, এখন সেটাই খোঁজা চলছে। শুধু তা-ই নয়, মন্ত্রীর দাবি, আসলে ৩০ মে ওই সমীক্ষা প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু তা আগেই ফাঁস হয়ে যায় কারও ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে। 

যা শুনে বিরোধীদের তোপ, সরকার নিজেই রিপোর্টটি ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল, যাতে লোকসভা ভোটের আগে বেকারত্বের প্রশ্নে মুখ না পোড়ে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সে সময় স্ট্যাটিসটিক্যাল কমিশনের অনেক সদস্য ইস্তফাও দেন। পরে অবশ্য ভোট মিটতেই প্রকাশ করা হয় ওই রিপোর্ট। সংশ্লিষ্ট মহলের কটাক্ষ, বেকারত্ব দূর করা নিয়ে এই সরকারের মাথাব্যথা নেই। রিপোর্ট ফাঁস করে কে তাদের অস্বস্তির কারণ হয়েছিল, সেটা খুঁজতেই ব্যস্ত তারা।

বেকারত্বের উঁচু হার প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীরা বার বার সঠিক হিসেব না পাওয়ার যুক্তি দেখিয়েছেন। এ দিনও প্রতিমন্ত্রীর দাবি, এই সমীক্ষা এতদিন পাঁচ বছরে এক বার হয়েছে। এ বার হবে প্রতি বছর। প্রযুক্তিগত ভাবেও সেই পদ্ধতি হবে আধুনিক। সিংহের দাবি, তাই পরের বছর ওই হার বেরোলে স্পষ্ট হবে কর্মসংস্থানের তুলনামূলক ভাল-মন্দের ছবিটা।