আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক বা আরআরবি-র শেয়ার প্রথম বার বাজারে ছেড়ে তহবিল জোগাড়ের (আইপিও) সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু তাতে তীব্র আপত্তি ইউনিয়নগুলির। তাদের বক্তব্য, তৃণমূল স্তরের গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাই আরআরবি-র উদ্দেশ্য। সেগুলির সঙ্গে জড়িয়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষের স্বার্থও। ফলে এই সব ব্যাঙ্ক পুরো সরকারের অধীনে থাকার কথা।
শনিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল গ্রামীণ ব্যাঙ্ক অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সম্মেলনে আরআরবি অফিসার্স ফেডারেশনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন পাল জানান, দেশে মোট ২৮টি আরআরবি। তার মধ্যে জানুয়ারিতে তামিলনাড়ু, হরিয়ানা এবং কেরলের ব্যাঙ্ক তিনটির শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আরআরবি-র ৫০% অংশীদারি কেন্দ্রের হাতে, ৩৫% স্পনসর ব্যাঙ্কের এবং বাকি ১৫% সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের। কেন্দ্রের পরিকল্পনা, তাদের এবং স্পনসর ব্যাঙ্কের মোট শেয়ারের মধ্যে ৩৪% বিক্রি করা। সে ক্ষেত্রে আইপিও ছাড়া হলে ব্যাঙ্কগুলির পরিচালন পর্ষদের মোট আট জন ডিরেক্টরের মধ্যে তিন জনই হবেন বেসরকারি ক্ষেত্রের। যাঁরা ব্যাঙ্ক পরিচালনায় হস্তক্ষেপ করতে পারবেন। সৃজন বলেন, ‘‘আরআরবিগুলির মুখ্য উদ্দেশ্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে উন্নত করা। মুনাফা নয়। ব্যাঙ্ক পরিচালনায় বেসরকারি ডিরেক্টরদের হস্তক্ষেপ হলে মুনাফাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’’ সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সমীরণ বিশ্বাস জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অফিসারদের সব সুবিধাও আরআরবি-র ক্ষেত্রে চালুর দাবি তুলেছেন তাঁরা।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)