সামনে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে সুখবর চাকুরিজীবীদের জন্য। বৃহস্পতিবার প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার বাড়ানোর প্রস্তাব দিল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড সংস্থা (ইপিএফও)। এতদিন ৮.৫৫ শতাংশ হারে সুদ পেতেন ইপিএফও সদস্য তথা চাকুরিজীবীরা। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তা বাড়িয়ে ৮.৬৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে প্রায় ৬ কোটি ইপিএফও গ্রাহক উপকৃত হবেন। এর আগে ২০১৬ অর্থবর্ষে  প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার বাড়ানো হয়েছিল।

প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার নির্ধারণের দায়িত্বে রয়েছে দ্য সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (সিবিটি)। সিবিটি-র নেতৃত্বে আবার রয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক। ইপিএফও-র হয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয় তারাই। কোন অর্থবর্ষে প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা টাকার হার কত হবে, তা ঠিক করার দায়িত্বও তাদের। সিবিটির অনুমোদনের পর বিষয়টি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকে কাছে যায়। যার পর জমা টাকার উপর নয়া সুদের হার কার্যকর হয়। সেই অনুযায়ী সরাসরি টাকা ঢুকে যায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে।  

এ দিন বোর্ডের মিটিং শেষ হওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার বলেন, ‘‘প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা টাকার সুদের হার বাড়িয়ে ৮.৬৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইপিএফও কর্তৃপক্ষ।’’ বৃহস্পতিবারের বৈঠকে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের (ইপিএস) আওতায় চাকুরিজীবীদের ন্যূন্যতম পেনশন বাড়ানোর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্দান্ত নেওয়া যায়নি। বোর্ডের পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হবে।  

আরও পড়ুন: ফের পুলওয়ামা! গোপন ‘বার্তা’য় সন্দেহ, ফের জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার কাশ্মীরে​

আরও পড়ুন: পুলওয়ামার জের! আধা সেনা বাহিনীর আকাশ সফরে সিলমোহর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের​

এর আগে, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা টাকার উপর সুদের হার ৮.৫৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেন ইপিএফও কর্তৃপক্ষ, পূর্ববর্তী পাঁচ বছরের তুলনায় যা ছিল সর্বনিম্ন। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে ওই হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ৮.৮ শতাংশ সুদের হার ঠিক করা হয়। তার আগের দুই অর্থবর্ষ অর্থাত্ ২০১৪-১৫ এবং ২০১৩-১৪-তে সুদের হার রাখা হয় ৮.৭৫ শতাংশ। সুদের হার ৮.৫ শতাংশ ছিল ২০১২-১৩ অর্থবর্ষে।  

(মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধি - অর্থনীতির সব খবর বাংলায় পেয়ে যান আমাদের ব্যবসা বিভাগে।)