E-Paper

কড়া হচ্ছে সিবিএএম বিধি, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতীয় পণ্য রফতানিতে বাড়ছে জটিলতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিবিএএম হল দূষণ কমাতে কার্বনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। জিটিআরআই-এর দাবি, ২০২৮ থেকে ইইউ-তে এর আওতায় আরও ১৮০টি পণ্যকে আনা হচ্ছে। প্রায় সবই মূলত ইস্পাত এবং অ্যালুমিনিয়ামজাত।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৩২

— প্রতীকী চিত্র।

উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় কতটা কার্বন নিঃসৃত হচ্ছে, তার ভিত্তিতে আলাদা কর বসানোর নিয়ম আগেই চালু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ বার তার আওতায় আরও বেশি পণ্যকে আনতে চাইছে তারা। সে জন্য সিবিএএম (কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট)-এর বিধি কড়া হচ্ছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা জিটিআরআই-এর সতর্কবার্তা, এর ফলে ভারতীয় রফতানি শিল্প ফের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। কারণ, সিবিএএমের ছাঁকনিতে আটকে যেতে পারে বহু পণ্য। উৎপাদনের সময় কার্বন নির্গমন আটকে এই পরিস্থিতি এড়াতে হলে মোটা লগ্নি চাই। যা বিশেষত ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি সংস্থাগুলির জন্য সমস্যার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিবিএএম হল দূষণ কমাতে কার্বনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। জিটিআরআই-এর দাবি, ২০২৮ থেকে ইইউ-তে এর আওতায় আরও ১৮০টি পণ্যকে আনা হচ্ছে। প্রায় সবই মূলত ইস্পাত এবং অ্যালুমিনিয়ামজাত। কার্বন নিঃসরণের শর্ত পূরণ না হলে ইইউ-তে ঢুকলেই সেগুলির উপর কার্বন করের হার বাড়বে। অর্থাৎ চাপবে অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক।

জিটিআরআই-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তবের দাবি, ইইউ বহু ভারতীয় পণ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বিশেষত ইস্পাত এবং অ্যালুমিনিয়াম পণ্যের। কিন্তু কার্বন শুল্ক বৃদ্ধির আশঙ্কা বাজার হারানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। শুল্ক বাড়তে পারে মূলত ইঞ্জিনিয়ারিং, গাড়ির যন্ত্রপাতি, ছাঁচে ঢেলে তৈরি ইস্পাত এবং অ্যালুমিনিয়াম সামগ্রী ইত্যাদিতে। ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রফতানিকারী নিপা এক্সপোর্টসের ডিরেক্টর রাকেশ শাহ-র দাবি, “উৎপাদন প্রক্রিয়াকে পরিবেশবান্ধব করে তুলতে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হবে, তা ছোট সংস্থাগুলির পক্ষে বহন করা কঠিন।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Export Indian Export India-Europe European union

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy