বাজারে চাহিদা নেই। রফতানিতে ভাটার টান। আসছে না নতুন লগ্নি। অর্থনীতির চারটি ইঞ্জিনের মধ্যে তিনটিই অচল। অর্থনীতিকে সচল রেখেছে শুধু সরকারি খরচ। সেই ইঞ্জিনে আরও গতি আনতে শুক্রবার অর্থ মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তারা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার প্রধানদের নির্দেশ দিলেন, লগ্নির গতি বাড়ান। যাতে  বাজারে নগদের জোগান বাড়ে।

আজ দিল্লিতে আর্থিক বিষয়ক সচিব অতনু চক্রবর্তী ও ব্যয়সচিব গিরিশচন্দ্র মুর্মু রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকগুলির কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রতিটি সংস্থা ও মন্ত্রকের নতুন লগ্নির প্রকল্প ধরে ধরে পর্যালোচনা হয়। বলা হয়, এই অর্থবর্ষে খরচের লক্ষ্যে কোনও ভাবেই খামতি থাকলে চলবে না।

অর্থ মন্ত্রকের সিদ্ধান্ত ছিল, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে যে সব বেসরকারি সংস্থা, বিশেষত ছোট শিল্প বা ব্যবসায়ীরা পণ্য সরবরাহ করেন, তাঁদের পাওনা আটকে রাখা যাবে না। আজ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার প্রধানদের মন্ত্রকের কর্তারা বলেন, পাওনা সময়ে মেটানোয় নজরদারি করা হবে। নতুন পাওনাও দ্রুত মেটাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে ঠিক হয়েছে, নিয়মিত বড় পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির অগ্রগতিতে নজর রাখবে অর্থ মন্ত্রক। পরিকাঠামো সংক্রান্ত মন্ত্রকের সঙ্গে পাওয়ার গ্রিড, এনটিপিসি, ওএনজিসির মতো সংস্থাকে নিয়মিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। পরে ওএনজিসি-র এগ্‌জ়িকিউটিভ ডিরেক্টর এন সি পাণ্ডে বলেন, ২৭টি প্রকল্পে ৮৭,০০০ কোটি টাকার কাজ নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হবে।