বিজয় মাল্যকে দেশে ফেরাতে আরও তৎপর হল কেন্দ্র। মাল্যকে শীঘ্রই প্রত্যর্পণ করা নিয়ে বৃহস্পতিবার ব্রিটেনকে অনুরোধ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব মহর্ষি। ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রসচিব প্যাটসি উইকিনসনের সঙ্গে এ দিন নয়াদিল্লিতে জঙ্গিদমনে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় তাঁর। তার মধ্যে ব্রিটেনে পলাতক মাল্যর প্রত্যর্পণ নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে।

কিংফিশার এয়ালাইন্সের জন্য ভারতের ১৭টি ব্যাঙ্ক থেকে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন মাল্য। সেই ঋণ না মেটানোর অভিযোগে এ দেশের আদালতে একাধিক মামলা ঝুলছে তাঁর উপর। কিন্তু, গত বছর ২ মার্চ দেশ ছেড়ে ব্রিটেনে চলে যান তিনি। এর পরই তাঁকে পলাতক ঘোষণা করা হয়। সেই থেকেই তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য উদ্যোগী হয় কেন্দ্রীয় সরকার।

আর পড়ুন

বিস্ফোরণে ফোটোগ্রাফারের ছিন্নভিন্ন হওয়ার দৃশ্য ধরা রইল তাঁরই ক্যামেরায়

শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর আদালতের বাইরে বিজয় মাল্য। গত এপ্রিলে পিটিআইয়ের তোলা ছবি।

ব্রিটেনের কাছে এ নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে অনুরোধ করে ভারত। এর পরই গত ১৮ এপ্রিল লন্ডনে তাঁকে গ্রেফতার করে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের গোয়েন্দারা। তবে গ্রেফতারির ঘণ্টা তিনেকের মধ্যেই শর্তসাপেক্ষে জামিনও পেয়ে যান মাল্য। ভারতের আশঙ্কা, ব্রিটেন ছেড়ে এ বার মাল্টাতে পালাতে পারেন তিনি। সেক্ষেত্রে মাল্যকে দেশে ফেরানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ, মাল্টার সঙ্গে ভারতের কোনও প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। ১৭ মে প্রত্যর্পণ মামলার আগামী শুনানির আগেই ব্রিটেনে পৌঁছে গিয়েছেন সিবিআই এবং ইডি-র আধিকারিকেরা। ব্রিটিশ প্রশাসনকে মাল্যর বিরুদ্ধে সব রকম নথি দিয়ে সাহায্য করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। এই আবহের প্রত্যর্পণ বিষয়ে ব্রিটেনের ভূমিকার প্রশংসা করেছে ভারত।