নিয়ম করে বাড়ি ঘরদোর পরিষ্কার রাখা মোটেই মুখের কথা নয়। ধুলো ঝাড়া এবং জায়গার জিনিস জায়গায় রাখার অভ্যাস করলে বাড়ি মোটের উপর পরিষ্কারই থাকে। তবে স্বাস্থ্যের সঙ্গে শুধু পরিষ্কার নয়, পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও গভীর ভাবে যুক্ত। সাপ্তাহিক ছুটির দিনটিতে ঘণ্টা খানেকেই সেরে ফেলা যায় এমন ৫ কাজ নিয়ম করে করলে, ঘর ঝকঝকে থাকার পাশাপাশি জীবাণুমুক্তও হবে।
আরও পড়ুন:
বিছানার চাদর: বিছানার চাদর নোংরা না দেখালেও নিয়ম করে তা বদলানো দরকার। সপ্তাহে অন্তত একটি দিন এই বদল জরুরি। তবে গরমের দিনে ঘাম বেশি হলে, সপ্তাহে একবারের বদলে তা দু’বার করা যেতে পারে।অনেকে বাড়ি ফিরে হাত-পা না ধুয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দেন। এ ক্ষেত্রে চাদর নোংরা হয় তাড়াতাড়ি, তা ছাড়া ঘাম, বাইরের ধুলো-ময়লা লেগে থাকে। এই অভ্যাসটিও বদলানো দরকার।
ব্যবহৃত জিনিস: সোফা, চেয়ার, কাউচ, দেরাজ, টেবিল, দরজার হাতল— পরিষ্কার করা খুব জরুরি। জীবাণুনাশক তরল দিয়ে বা সোফা, চেয়ার পরিষ্কারের স্প্রে ব্যবহার করে সপ্তাহে একদিন সেগুলি পরিষ্কার করুন।
বর্জ্য ফেলার পাত্র: বর্জ্য ফেলার পাত্র থেকে নিয়মিত বর্জ্য ফেলা হয়, কিন্তু সেই পাত্রটি পরিষ্কার করেন কি? সেটি কিন্তু হতে পারে রোগজীবাণুর আঁতুরঘর। ছুটির দিনে নিয়ম করে বর্জ্য ফেলার পাত্রটি জীবাণুনাশক তরল বা সাবান জল দিয়ে পরিষ্কার করে রোদে শুকিয়ে নিন।
স্নানঘর: বহু বাড়িতেই ঘরদোর পরিষ্কার নিয়ে ভাবলেও, স্নানঘরে নজর পড়ে না। সম পরিমাণ জল এবং ভিনিগার মিশিয়ে, সেই মিশ্রণ দিয়ে কল থেকে বেসিন পরিষ্কার করুন। স্নানঘরে বেকিং সোডা ছড়িয়ে রাখলেও ভ্যাপসা এবং বিশ্রী গন্ধ চলে যায়। চেষ্টা করুন স্নানঘরের আনাচকানাচ পরিষ্কার করে, জায়গাগুলি শুকনো রাখার।
মাইক্রোঅয়েভ অভেন, ফ্রিজ: সপ্তাহে একটি দিন করে মাইক্রোঅয়েভ অভেন এবং ফ্রিজ পরিষ্কার করলে, জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা কমে। তা ছাড়া, পরিচ্ছন্নতার প্রসঙ্গে উঠলে, এগুলি জরুরি।