E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

শুল্ক-সুরাহা দাবি চামড়া এবং জুতো শিল্পের

দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের সংঘাতে অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। ক্রমশ আরও স্পষ্ট হচ্ছে এর জেরে বিশ্ব বাণিজ্যে ধাক্কা লাগার ছবিটা। বিশেষত হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াত বন্ধ থাকায় শুধু যে তেল-গ্যাসের জোগান কমছে তা নয়, অন্যান্য পণ্যের আমদানিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ০৬:২১

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ধাক্কা খেয়েছে ভারতের আমদানি-রফতানি। তেল-গ্যাস, সারের পাশাপাশি জোগান কমেছে বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের। এই পরিস্থিতিতে কাঁচামালে আমদানি শুল্ক কমানোর আবেদন জানাল চামড়া এবং জুতো শিল্প। কেন্দ্রের কাছে বিশেষত সিন্থেটিক চামড়া, ব্যাগ-বেল্টে লাগানোর ধাতুর পণ্য, যন্ত্রপাতি, সুতো, কিছু রাসায়নিকের মতো নানা ক্ষেত্রে শুল্ক ছাঁটার আর্জি জানিয়েছে তারা। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, একে তো কাঁচামাল আসছে কম। যুদ্ধের কারণে সেগুলির দাম বেড়ে গিয়েছে ৬০% পর্যন্ত। ফলে বাড়ছে পণ্য তৈরির খরচও। তাই শুল্ক কমানোর আর্জি নিয়ে শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রকের দ্বারস্থ হতে হয়েছে।

দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের সংঘাতে অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। ক্রমশ আরও স্পষ্ট হচ্ছে এর জেরে বিশ্ব বাণিজ্যে ধাক্কা লাগার ছবিটা। বিশেষত হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াত বন্ধ থাকায় শুধু যে তেল-গ্যাসের জোগান কমছে তা নয়, অন্যান্য পণ্যের আমদানিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম চামড়ার বিভিন্ন জিনিস এবং জুতো তৈরির কাঁচামাল। আমদানিকারীদের বক্তব্য, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বা আমেরিকার থেকে পণ্য আনতেও এই হরমুজ় ব্যবহার করেন তাঁরা। যুদ্ধের জেরে পণ্যবাহী জাহাজ যাচ্ছে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে। এতে যেমন খরচ বাড়ছে, তেমনই জাহাজ সংস্থাগুলি বসাচ্ছে যুদ্ধ সারচার্জ। বেড়েছে পণ্যের বিমার খরচও। তার উপরে গত অর্থবর্ষের অধিকাংশ সময় জুড়ে ভারতের পণ্যে চড়া শুল্কের কারণেও বাণিজ্য সে ভাবে অগ্রগতির মুখ দেখেনি।

এই অবস্থায় সরকারের কাছে জুতো ও চামড়া শিল্পের জন্য বিশেষ প্রকল্প (ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদার ওরিয়েন্টেড ট্রান্সফর্মেশন বা ফ্লোট) দ্রুত চালুর আর্জি জানিয়েছে বাণিজ্য মহল। এর আওতায় আসার কথা এই সমস্ত পণ্য, তাদের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি। পাশাপাশি, দেশে উৎপাদন বাড়াতে শুল্কহীন আমদানির পক্ষেও সওয়াল করেছে তারা। বিশেষত, কিছু রবার ও চামড়ার পণ্য, আঠা, প্লাস্টিক এবং জুতোর কাঁচামালের জোগান কমেছে, সেগুলির জন্য এই আবেদন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কিছু কাঁচামাল আমদানি করে ভারত। সব মিলিয়ে গত অর্থবর্ষে এই ক্ষেত্রে পণ্য আসা কমেছে প্রায় ৪.৫%। একই ভাবে চামড়া ও চর্মপণ্য রফতানিও ধাক্কা খেয়েছে ২.৩৬%।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Export Import

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy