এত দিন ২০১১-১২ সালকে ভিত্তিবর্ষ ধরে শিল্পবৃদ্ধির হিসাব কষা হত। এ মাসেই প্রথম ২০২২-২৩ সালের নিরিখে শিল্পবৃদ্ধির হার প্রকাশ করতে শুরু করল কেন্দ্র। তবে নতুন ভিত্তিবর্ষ অনুযায়ী সোমবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে এপ্রিলের হার গত বছরের একই সময়ের ৫.৭% থেকে কমে হয়েছে ৪.৯%। পরিসংখ্যান মন্ত্রকের দাবি, এর জন্য পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট। যা খননে উৎপাদন কমিয়েছে। ধাক্কা দিয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতেও। গত মাসে কল-কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধির হার ছিল ৬.২%।
কেন্দ্রের দাবি, নতুন ব্যবস্থায় গ্যাস, জল সরবরাহ, নিকাশি ব্যবস্থা, বর্জ্য পরিষ্কারের মতো ক্ষেত্রকেও হিসাবে ধরা হয়েছে। যুক্ত হয়েছে সিসিটিভি, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড, টিকা, বিমান ও মহাকাশ যানের যন্ত্রাংশ-সহ ১২০টি পণ্যের বিভাগ। বাদ কেরোসিন, ফ্লুরোসেন্ট টিউব, সেলাই ও ছাপার যন্ত্র, সাইকেল-রিকশার টায়ার-সহ ৬৪টি পণ্য। মন্ত্রক বলছে, নতুন পদ্ধতিতে সব শিল্পেরই পরিস্থিতি অনেক স্পষ্ট হবে। পরিসংখ্যান মন্ত্রকের সচিব সৌরভ গর্গের অভিমত, পুরনোর খামতিগুলি পূরণ করা হচ্ছে।
যদিও চলতি বছরের শিল্পোৎপাদন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ অজিতাভ রায়চৌধুরী। তিনি বিশেষত চিন্তিত বর্ষার ঘাটতি নিয়ে। অজিতাভ বলেন, “এল নিনিয়োর কারণে এ বছর কৃষি ফলন নিয়ে আশঙ্কার পূর্বাভাস রয়েছে। যা গ্রামীণ অর্থনীতির ক্ষতি করতে পারে। ফলে বাজারে চাহিদা ধাক্কা খেলে তার বিরূপ প্রভাব পড়বে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)