E-Paper

২০ দিন পেরিয়ে গেলেই ১২ শতাংশ হিসাবে শাস্তিমূলক সুদ, পিএফ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

পিএফের এক কমিশনার বলছেন, ‘‘শাস্তি-সুদের নিয়ম এখনও আছে। তবে এত দিন তার হার ছিল পিএফের সুদের সমান। শ্রমবিধিতে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২%। তা ছাড়া, এখন বিষয়টি তেমন মানা হয় না। এ বার বাধ্যতামূলক হয়েছে।’’

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ০৬:৪৯

—প্রতীকী চিত্র।

কর্মী প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) থেকে টাকা তোলার আবেদন করার পরে ২০ দিনের মধ্যে সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে পিএফ কর্তৃপক্ষকে। না হলে গ্রাহককে দেওয়া টাকার উপরে বার্ষিক ১২% হারে শাস্তিমূলক অতিরিক্ত সুদ দিতে বাধ্য থাকবেন কর্তৃপক্ষ বা ইপিএফও। কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত নতুন শ্রমবিধিতে এই নিয়মের কথা বলা আছে। কর্মীর পেনশন মঞ্জুর কিংবা বিমার টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেরি হলেও তা প্রযোজ্য। ওই শাস্তি-সুদের টাকা কাটা হবে সংশ্লিষ্ট পিএফ কমিশনারের বেতন থেকেই। তবে কর্মী আবেদনপত্র পূরণে ভুল করলে কিংবা তাঁর কেওয়াইসিতে গোলমাল থাকলে ওই নিয়ম খাটবে না।

পিএফের এক কমিশনার বলছেন, ‘‘শাস্তি-সুদের নিয়ম এখনও আছে। তবে এত দিন তার হার ছিল পিএফের সুদের সমান। শ্রমবিধিতে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২%। তা ছাড়া, এখন বিষয়টি তেমন মানা হয় না। এ বার বাধ্যতামূলক হয়েছে।’’ সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত নতুন শ্রমবিধির মধ্যে ইপিএফ প্রকল্প ২০২৬, কর্মী পেনশন প্রকল্প ২০২৬ এবং ডিপোজ়িট লিঙ্কড ইনশিয়োরেন্স প্রকল্প ২০২৬ আইনগুলিকে যুক্ত করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্র। কমিশনার জানান, কারও কেওয়াইসি এবং আবেদনপত্র নির্ভুল থাকলে ডিজিটাল ব্যবস্থায় তা ২০ দিনের মধ্যেই মঞ্জুর হয়। তিন দিনে মঞ্জুর হওয়ার নজিরও রয়েছে। সূত্রের দাবি, পিএফের টাকা তোলার আবেদনে সায়-সহ প্রকল্প পরিচালনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থাতেও জোর দিয়েছে শ্রমবিধি। ফলে সময় আরও কমার কথা। তবে পিএফের আঞ্চলিক পরিচালন পর্ষদের সদস্য অশোক ঘোষ জানান, “বহু ক্ষেত্রে সদস্যের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আধার কার্ডের সঙ্গে পিএফের নথির মিল না থাকা বিরাট সমস্যা। যে কারণে এ রাজ্যে কয়েক হাজার সদস্যের টাকা তোলার আবেদন আটকে রয়েছে।

উল্লেখ্য, কর্মীর মাসিক ১৫,০০০ টাকা বেতন পর্যন্ত ১২% হারে টাকা কেটে তাঁর পিএফ অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়। একই হারে নিয়োগকারীও জমা দেন। তবে নিয়োগকারীর দেওয়া টাকার মধ্যে ৮.৩৩% জমা পড়ে কর্মীর পেনশন প্রকল্পে। বাকিটা পিএফ অ্যাকাউন্টে যায়। কর্মী বা নিয়োগকারী চাইলে ১৫,০০০ টাকার বেশি বেতনেও পিএফের টাকা জমা দিতে পারবেন। তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। এ ছাড়া, নির্দিষ্ট কিছু কারণে পিএফের জমা আংশিক তোলা যায়। পুরোটা তোলা যায় চাকরি ছাড়লে বা অবসর নিলে। চাকরি বদলালে পুরনো অ্যকাউন্টের টাকা নতুন সংস্থায় কর্মীর পিএফ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়।

এ দিকে সূত্রের খবর, আজ শুক্রবার থেকে সদস্যদের পিএফের টাকায় ২০২৫-২৬ সালের সুদ জমা হবে। যার হার ৮.২৫%।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

PF Interest EPF

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy