ভারতে উচ্চশিক্ষার হার বেড়েছে। বহু পড়ুয়া এখন সেই সুযোগ পাচ্ছে। তবে সেখান থেকে কর্মসংস্থানের উপযোগী হয়ে কাজের বাজারে পা রাখা এখনও মস্ত চ্যালেঞ্জ বলেই জানাচ্ছে সমীক্ষা। সেখানে বলা হয়েছে, এ দেশে স্নাতক পাশদের মধ্যে বেকারত্বের হার এখনও চড়া। ২০-২৯ বছরের ৬.৩ কোটি স্নাতকের মধ্যে ১.১ কোটি কাজ পাননি। মাত্র ৭% এক বছরের মধ্যে স্থায়ী বেতনের চাকরি পাচ্ছেন। রিপোর্টে দাবি, দেশে ২০৩০-এর পরে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমতে শুরু করবে। ফলে এই পড়ুয়াদের তৈরি করে কাজের বাজারে আনা না গেলে দেশের আর্থিক উন্নয়ন কঠিন হবে।
কেন্দ্রের দাবি, দেশে ফেব্রুয়ারিতে বেকারত্বের হার নেমেছে ৪.৯ শতাংশে। কিন্তু আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া’ সমীক্ষাটি বলছে, বর্তমানে ভারতে ১৫-২৫ বছর বয়সি স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্ব প্রায় ৪০%। ২৫-২৯ বছরের মধ্যে তা ২০%। তবে গত কয়েক দশকে উচ্চশিক্ষার হার বেড়েছে। মাথা তুলেছে কৃষির বদলে পরিষেবা ও শিল্পকে বেছে নেওয়া মানুষের সংখ্যাও। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, দেশে কর্মসংস্থানই যে মূল চ্যালেঞ্জ, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট রিপোর্টে। কারণ উপযুক্ত কাজ তৈরি হচ্ছে না।
তথ্য বলছে, ২০০৪-০৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতি বছর স্নাতক হয়েছেন প্রায় ৫০ লক্ষ পড়ুয়া। কিন্তু তাঁদের ২৮ লক্ষ কাজ পেলেও, স্থায়ী বেতনের চাকরি কম। যা বাড়িয়েছে বেকারত্ব, কমিয়েছে আয় বৃদ্ধির হার। ২০১৭-এ শিক্ষা জগতে ছেলেদের অংশীদারি ছিল ৩৮%, তা ২০২৪ সালে নেমেছে ৩৪ শতাংশে। তবে নারী- পুরুষের আয়ের বৈষম্য কমেছে। উচ্চশিক্ষায় অগ্রগতি হয়েছে, স্পষ্ট সেখানেও মেয়েদের এগোনোর ছবি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)