ভোটের মধ্যে অর্থনীতির পরিসংখ্যান ফের ধাক্কা দিল মোদী সরকারকে। শুক্রবারই পরিসংখ্যান দফতর জানিয়েছে, মার্চে শিল্পোৎপাদন সরাসরি কমেছে ০.১%। আর আজ এপ্রিলে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার ২.৯২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে বলে জানাল তারা। গত ছ’মাসে যা সর্বাধিক। মূলত আনাজ, মাছ, মাংস ও ডিমের মতো খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার জেরেই মূল্যবৃদ্ধি ফের মাথাচাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছে পরিসংখ্যান। চিন্তা বাড়িয়েছে তেলের দরও।

সুদের হার স্থির করতে খুচরো মূল্যবৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাদের লক্ষ্য, মূল্যবৃদ্ধিকে ৪% হারে (+/-২) বেঁধে রাখা। গত দু’বার ঋণনীতিতে সুদ কমিয়েছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। কিন্তু এ ভাবে মূল্যবৃদ্ধির হার চড়তে থাকলে আগামী দিনে সুদ কমানোর পথে তারা আর না-ও হাঁটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। বিশেষত যখন সোমবারই মূল্যায়ন সংস্থা ক্রিসিল জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের দর বাড়ার হাত ধরে চলতি অর্থবর্ষে খুচরো মূল্যবৃদ্ধি দাঁড়াতে পারে ৪ শতাংশে। গত দু’বছরে তা ছিল আরবিআইয়ের লক্ষ্যমাত্রার অনেকটাই কম।

তবে বিশেষজ্ঞদের অন্য অংশের মতে, মূল্যবৃদ্ধি বাড়লেও, তা এখনও ৪ শতাংশের চেয়ে কম। কলকারখানার কাজে গতি আসার লক্ষণ নেই। ফলে আর্থিক কর্মকাণ্ড ফেরাতে ও বৃদ্ধিতে গতি আনতে জুনের ঋণনীতিতেও সুদ কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।