চিন-মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধ ভারতের সামনে রফতানির নতুন সুযোগ খুলে দিচ্ছে বলে মনে করে বাণিজ্য মন্ত্রক। তাদের তৈরি রিপোর্ট বলছে, এই সুযোগে ওই দুই দেশে প্রায় ৩৫০টি পণ্যের রফতানি বাড়াতে পারে ভারত। যার মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক মধু, রবার, কাগজ ও কাগজের তৈরি পণ্য ইত্যাদি। দেশের অর্থনীতির মাপ ৫ লক্ষ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মোদী সরকার। সে জন্য তারা জোর দিচ্ছে রফতানি বাড়ানোয়। অনেকের মতে, সেই প্রেক্ষিতে এই রিপোর্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

সম্প্রতি ভারতের উপর থেকে জিএসপি-র আওতায় রফতানিতে সুবিধা তুলেছে আমেরিকা। পাল্টা হিসেবে রবিবার থেকে ২৮টি মার্কিন পণ্যে শুল্ক বাড়ানো ও নতুন করে বসানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে ভারত। বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েও দিল্লির দাবি, দেশের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর এ বার বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ডিজেল, এক্স-রে টিউবের মতো যে ১৫১টি পণ্য আমেরিকা চিনে পাঠায়, সেগুলি রফতানির বাজার দখলের সুযোগ আছে ভারতের সামনে। আবার চিন যে ২০৩টি পণ্য আমেরিকায় রফতানি করে, সেই বাজারও ধরতে পারে ভারত। চিনে কোন পণ্য এখনই রফতানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে ও কোনটির জন্য প্রস্তুত হতে হবে, তার তালিকাও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলির সঙ্গে ভাগও করা হয়েছে।

রফতানিকারীদের সংগঠন ফিয়োর প্রেসিডেন্ট গণেশ কুমার গুপ্তের মতে, শুল্ক যুদ্ধ দেশের সামনে নতুন সুযোগ খুলছে। তাঁর দাবি, গত বছর আমেরিকায় রফতানি বেড়েছে ১১.২%। আর চিনে ৩১.৪%। যা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে।