ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কাজ করার জন্য নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী-অফিসারদের একাংশকে। তাঁরা পর্যবেক্ষক (মাইক্রো অবজ়ার্ভার) হিসেবে কাজ করছেন। এর ফলে ব্যাঙ্কের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বিভিন্ন কর্মী সংগঠন। তাদের দাবি, একেই ব্যাঙ্কগুলি প্রয়োজনের তুলনায় কম কর্মী নিয়ে কাজ করে। এখন সেই সংখ্যা আরও কমায় বহু শাখায় পরিষেবা ধাক্কা খাচ্ছে। সমস্যায় পড়ছেন গ্রাহক। তার উপর বছরের এই সময়টায় ব্যাঙ্কে অডিট-সহ বার্ষিক হিসাবের প্রক্রিয়া চলে। সংগঠনগুলির প্রশ্ন, ব্যাঙ্কের মতো জরুরি পরিষেবার কর্মীদের এসআইআর-এর কাজে নেওয়া হল কেন? তাঁদের নিরাপত্তা নিয়েও দুশ্চিন্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
গ্রাহক পরিষেবা এবং কাজের অসুবিধার কথা জানিয়ে পুরো বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে এনেছে তারা। চেয়েছে ওই কাজ করার ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তাও। সোমবার অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের (আইবক) রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘রাজ্যের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির শাখা থেকে প্রায় ৩০০০ অফিসার এবং সাধারণ কর্মীকে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে নেওয়া হয়েছে। ২৬ ডিসেম্বর থেকে ব্যাঙ্কগুলি এই সমস্যার মোকাবিলা করছে। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। যে সব কর্মী-অফিসারকে ওই কজে লাগানো হয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের উপরে হামলার কয়েকটি ঘটনাও ঘটেছে। অনেককে ৭০০-৮০০ কিলোমিটার দূরে যেতে হয়েছে। একাংশের থাকার ব্যবস্থাও ঠিক মতো করা হয়নি।’’
এআইবিইএ-র সভাপতি রাজেন নাগরের অভিযোগ, ‘‘এমনিতেই ব্যাঙ্কগুলি ২৫% কম কর্মী নিয়ে কাজ করে। এমন জরুরি পরিষেবা ব্যাহত করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’’ স্টেট ব্যাঙ্ক স্টাফ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ দত্তের দাবি, ‘‘মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসেবে শুধু অফিসারদের নেওয়ার কথা। অথচ বহু সাধারণ কর্মীকেও নেওয়া হয়েছে। আমরা এবং অফিসারদের সংগঠন যৌথ ভাবে স্টেট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবাদপত্র জমা দিয়েছি।’’
এ দিকে, সম্প্রতি কলকাতায় স্টেট ব্যাঙ্ক অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলনে আইবকের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক রূপম রায় জানান, ব্যাঙ্কে
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)