খিদিরপুরে এক শিশুকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বছর আড়াইয়ের এক শিশুকন্যাকে। বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারক বলেন, ‘‘এই ঘটনা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা।’’ সে কারণেই অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বিদ্যাসগর সেতুর নীচে খিদিরপুর লাগোয়া ফুটপাতে ওই শিশুটির পরিবার থাকত। রাত দেড়টা নাগাদ আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যায় শিশুটি। পরের দিন সকালে ওই এলাকার একটি নর্দমা থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ। পরে এই ঘটনায় সুরেশ পাসওয়ান নামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। থানা থেকে তদন্ত ভার নেয় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দ বিভাগ। ২০১৩ সালে ২৪ সেপ্টেম্বর চার্জিশট হয়। এ বিষয়ে সরকারি আইনজীবী তমাল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই ঘটনায় ৩২ জন সাক্ষী দিয়েছেন। পকসো (প্রটেকশন অব চিল্ডরেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেনসেন্স) আইনে মামলা হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে বিচার প্রক্রিয়া চলার পর এ দিন রায় শোনান বিচারক।’’

 খিদিরপুরে ওই শিশুর উপর নির্যাতনের ঘটনায় অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের মামলা রুজু করা হয়। তদন্তে নামে হেস্টিংস থানার পুলিশ। ওই বছরের ২৩ জুলাই ধরা পড়ে যায় অভিযুক্ত সুরেশ। পকসো আইনে অভিযুক্তের ৮ বছরের জেল এবং ৫ হাজার টাকার সাজা ঘোষণা করেন বিচারক। একই সঙ্গে ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগ ফাঁসির সাজাও ঘোষণা করেন তিনি। এ ছাড়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৩৭৬এ ধারায় ২০ বছরের জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, ইউটিউব দেখে ছক, পকেটমানির জন্য স্কুল-কলেজের ছাত্ররা শামিল বাইক চুরির গ্যাংয়ে!

(কলকাতার ঘটনা এবং দুর্ঘটনা, কলকাতার ক্রাইম, কলকাতার প্রেম - শহরের সব ধরনের সেরা খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের কলকাতা বিভাগে।)