সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে বাড়ানো হল নিরাপত্তা। সিজিও কমপ্লেক্সের দু’টি গেটে ছ’জন করে, মোট ১২ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন থাকবেন। সিজিও কমপ্লেক্সের প্রবেশদ্বারে এমনিতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা মোতায়েন থাকেন। এ বার জওয়ানদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হল।
কী কারণে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে ইডির তল্লাশি অভিযান ঘিরে সম্প্রতি যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। সিজিও কমপ্লেক্সে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইডির অভিযানের সময়ে সাময়িক ভাবে প্রবেশদ্বার দু’টি বন্ধ রাখা হয়েছিল। সাধারণ মানুষের প্রবেশ আটকানো হয়নি ঠিকই। তবে ‘অবাঞ্ছিত’ ভিড় যাতে ঢুকে না পড়ে, সেই বন্দোবস্ত করা হয়েছিল।
আগে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি এবং সিবিআই— দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থারই দফতর ছিল। তখন সিজিও কমপ্লেক্সের গেটে সিআরপিএফ জওয়ানের সংখ্যা কিছুটা বেশি ছিল। তবে গত বছরের এপ্রিল নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্স থেকে সরে যায় সিবিআই-এর দফতর। তার পর থেকে গেটের সামনে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও কমে যায়। এক জন-দু’জন জওয়ানকে গেটের সামনে দেখা যেত। এ বার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি করা হল। দু’টি গেটের প্রতিটিতে ছ’জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
গত বৃহস্পতিবার ইডির তল্লাশির সময়ে আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরেও যান মমতা। তৃণমূলনেত্রী আইপ্যাকের দফতর থেকে চলে যাওয়ার পরেও ওই ভবনের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। দিনভর তল্লাশির পরে সন্ধ্যায় আইপ্যাক-এর দফতর থেকে বেরোনোর সময়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন ইডির আধিকারিকেরা। স্লোগানও উঠেছিল ইডির বিরুদ্ধে। যদিও ইডির আধিকারিকদের গাড়ি আটকানোর মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি ওই দিন।