গায়ে ফেস্টুন জড়িয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক যুবক। ফেস্টুনে বাইক চালানোর সময়ে হেলমেট পরা, প্লাস্টিক ব্যবহার না করা, গাছ লাগানোর মতো একাধিক সচেতনতার বার্তা।

রাস্তার মোড়ে, স্টেশন চত্বরে, লেভেল ক্রসিংয়ে ঘুরে ঘুরে পথচলতি মানুষকে এ রকম নানা বার্তা দিয়ে চলেছেন ‘পঞ্চু পণ্ডিত।’ পেশায় ঢোলবাদক। ইদানীং টোটোও চালান। তবে এ সবের মাঝে সময় করে নিয়মিত নেমে পড়েন প্রচারেও।

হঠাৎ এই কাজ কেন?

পঞ্চু বলেন, ‘‘লোকজনের মধ্যে সচেতনতা খুবই কম। হেলমেট ছাড়াই জোরে বাইক চালাচ্ছেন, যেখানে সেখানে প্লাস্টিক ফেলছেন, গেট পড়ে আছে তা-ও লেভেল ক্রসিং পেরোচ্ছেন। এই সে দিন এক বৃদ্ধা রেললাইন পেরোতে গিয়ে একটুর জন্য বাঁচলেন। আমি যখনই সময় পাই, চেষ্টা করি মানুষকে সচেতন করার।’’

নিজেই নিজের নাম রেখেছেন ‘হ্যালো পঞ্চু’। লিখেছেন বাহারি সব ছড়া। সেই ছড়াই ফেস্টুনে ছাপিয়ে, গায়ে জড়িয়ে ঘুরে বেড়ান। পঞ্চু বলেন, ‘‘এ রকম সাজে সহজেই লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। কেউ কেউ এগিয়ে এসেও কথা বলে।’’

ঢোলবাদক হিসেবে পুরসভার কাজে মাঝে মাঝে ডাক পড়ে পঞ্চুর। ঢোল বাজিয়ে গঞ্জে, বাজারে ছড়িয়ে দেন পুরসভার বার্তা। পুজোর সময়ে পঞ্চুর কদর একটু বাড়ে। তবে বাকি সময়ে কাজ জোটে না। তাই বাধ্য হয়ে টোটো চালান। তবে যাই করুন, প্রচারে বিরাম নেই হ্যালো পঞ্চুর। সময় পেলেই গায়ে ফেস্টুন জড়িয়ে নেমে পড়েন রাস্তায়।