পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উচ্চশিক্ষা নিয়ে একটা ‘বৈঠক’-এর আয়োজন করেছেন। এমন বৃহৎ সম্মিলনে আলোচনার অবকাশ নেই; ধরে নেওয়া যায়, পূর্বে প্রস্তুত কিছু নীতি বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা হবে মাত্র। অপেক্ষায় থাকা ছাড়া উপায় নেই; কিন্তু কিছু চিন্তা, কিছু প্রত্যাশা ও উদ্বেগ ব্যক্ত করা যেতে পারে।
একটা উদ্দীপক কথা শোনা যাচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিক্ষার ‘হাব’ প্রতিষ্ঠা করতে চান। এই প্রস্তাব বাস্তবসম্মত ও অকুণ্ঠ সমর্থনযোগ্য। আমাদের রাজ্য রত্নগর্ভা; এখানে কৃতী ছাত্রের অফুরন্ত জোগান, দেশ-বিদেশে তাদের সাফল্য অব্যাহত। তাদের একটা ভগ্নাংশকেও যদি বাংলার প্রতিষ্ঠানগুলিতে কাজের উপযুক্ত সুযোগ দেওয়া যায়, আমাদের শিক্ষার মাটিতে সোনা ফলবে। প্রতিকূল অবস্থায়ও ফলন মন্দ হচ্ছে না: আন্তর্জাতিক বিচারে রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের সেরা, আর একটিও সর্বোচ্চ শ্রেণিতে। গয়ংগচ্ছ পরিচালনা, শিক্ষাপ্রাঙ্গণের লজ্জাকর বহিরঙ্গ এবং প্রচুর আলোড়ন-আন্দোলন সত্ত্বেও পশ্চিমবাংলার গবেষণা ও পঠনপাঠনের মান আজও সারা ভারতে স্বীকৃত। লেখাপড়া ও মুক্ত চিন্তার যেটুকু পরিবেশ অবশিষ্ট আছে, তা বহু রাজ্যের শিক্ষকদের ঈর্ষার বস্তু।
এর মূল কারণটা বুঝতে হবে। দেশ জুড়ে উচ্চশিক্ষার নামে বাজার মাত করছে কিছু অর্থকরী বিদ্যার প্রশিক্ষণ। দেশের সরকার এমনটাই চায়, কারণ চান সোচ্চার উচ্চবর্গীয় ভোটদাতারা, সন্তানদের দুধে-ভাতে রাখার স্বার্থে। চান বৃহৎ শিল্প-বাণিজ্যের কর্তারা: তাঁদের ট্রেনিং-এর খরচ বাঁচে। আর যতই তাঁরা উদ্ভাবনী প্রতিভার সওয়াল করুন, গত-বাঁধা অনুৎসুক কর্মী পেলে আপদও বাঁচে। মেধাবী তরুণ মনের প্রশ্ন ও কৌতূহল, এমনকি তার্কিক ঔদ্ধত্যের মোকাবিলা করতে কবজির জোর লাগে। অথচ সেটাই কিন্তু অনুসন্ধান-গবেষণা, উদ্ভাবন-আবিষ্কারের অপরিহার্য মনোবৃত্তি।
রাজনীতিপুষ্ট ছাত্রভেকধারীর আন্দোলনের সঙ্গে এই মেধার উদ্দীপনার যোগ নেই। প্রথমটি এই রাজ্যে অশেষ ক্ষতি করেছে ও করছে। দ্বিতীয়টির জোগানও অপ্রতুল, বরাবরই ছিল: এক শতক আগে বাঙালির মস্তিষ্কের অপব্যবহার নিয়ে প্রফুল্লচন্দ্রের বিলাপ স্মর্তব্য। সে যুগে বেশিরভাগ ছাত্র অবশ্য ন্যূনতম গতানুগতিক বিদ্যার একটা তালিম পেত; আজ শিক্ষার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে তাতে প্রচুর জল মিশেছে। তবু এ রাজ্যের পাঠক্রমে ব্যতিক্রমী ভাবে রয়ে গেছে এক-একটা বিদ্যাক্ষেত্রের মৌলিক সূত্র ও চিন্তার কিছু উপাদান। সেগুলি প্রায়ই অবহেলিত বা মুখস্থবিদ্যায় পর্যবসিত, কিন্তু তবু কিছু প্রতিষ্ঠানে মোটের উপর সেগুলি চর্চিত হচ্ছে, মেধাবী ছাত্রেরা মনের খোরাক পাচ্ছে। এতে সঙ্কীর্ণ দৃষ্টির অভিভাবক বা নিয়োগকর্তা হতাশ হতে পারেন; কিন্তু এর ফলে সারা দেশের ‘নলেজ হাব’ হওয়ার সম্ভাবনা সত্যিই এ রাজ্যে বর্তমান, হতোদ্যম সমাজে তা যতই স্বপ্নবিলাস মনে হোক না কেন।
কাজের যোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে, আমাদের বিদ্যার আঙিনা ভরে তোলার জন্য উজ্জ্বল কৃতী শিক্ষক ও গবেষকের অভাব হবে না। এই মেধাকে আকৃষ্ট করার একটাই সুসংহত চেষ্টা এ যাবৎ হয়েছে, ২০১২ সালে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দফা শিক্ষক নিয়োগের সময়। তার পর আর কোথাও ঘটেনি, বরং নিয়োগের পথে সর্বত্র নানা আপদ দেখা দিয়েছে। সরকারের বিভিন্ন হঠকারী পদক্ষেপে, ও শিক্ষাপ্রাঙ্গণে তার অভ্যস্ত প্রতিক্রিয়ায়, মেধাচর্চার উপযুক্ত পরিবেশটাই বিপর্যস্ত হয়ে বসেছে।
মেধা আকর্ষণ করতে কী-কী দরকার? বলতেই হয়, একটা হল উপযুক্ত বেতনক্রম। কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে প্রাপ্তির বৈষম্য যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে রাজ্যগুলির পক্ষে ভাল শিক্ষক ধরে রাখা দুষ্কর। আশ্চর্য এই, কোনও রাজ্য এ নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জোরদার দাবি জানাচ্ছে না। হয়তো তাদের আশঙ্কা, কেন্দ্রের সাহায্য পেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপর তাদের আধিপত্য কমবে। অন্য কিছু বিষয়ের মতো এ ক্ষেত্রেও যদি পশ্চিমবঙ্গ দেশের হয়ে পথ দেখায়, অন্যান্য রাজ্যগুলিকে সঙ্ঘবদ্ধ করে, কাজের কাজ হবে। রাজ্য সরকারের নিজের তহবিল থেকে কতটুকু দেওয়া সম্ভব সেই বিতর্কে যাচ্ছি না। শুধু বলব, যেটুকু দেওয়া হয়, সর্বত্র সব শিক্ষকরা যেন মেধা ও কাজের ভিত্তিতে তার ভাগ পান, কেবল কর্মস্থলের খাতিরে নয়।
বেতনক্রমের সমস্যার সহজ সমাধান নেই, যদিও সমাধান না খুঁজলেই নয়। পরিকাঠামোর অর্থ কেবল বাড়িঘর নয়, গ্রন্থাগার, গবেষণাগার ইত্যাদির ভদ্রগোছের সংস্থানও সমান অপরিহার্য। সেগুলি অবশ্যই ব্যয়বহুলও বটে। অন্যান্য খাতে, বিশেষত গবেষণার চলতি খাতে, খয়রাতির মতো নিশ্চিত বরাদ্দ বরং অত জরুরি নয়। দেশি-বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি নানা সূত্রে গবেষণার টাকা পাওয়া যায়। (পরিকাঠামো, বিশেষত যন্ত্রপাতির সংস্থানও এই সূত্রে যথেষ্ট হতে পারে।) সেই টাকা জোগাড় করার স্বাধীনতা দিলে যোগ্য শিক্ষকেরা তা অর্জন করে নেন, গবেষণার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিও সুদৃঢ় হয়। গত অর্ধশতকে যে বিশ্ববিদ্যালয় যতটুকু গবেষণার পরিমণ্ডল গড়েছে, তা এ ভাবেই গড়েছে। যাদবপুরের একুশটি আন্তর্বিষয়ক গবেষণাকেন্দ্র তার এক বিশেষ ইউজিসি-স্বীকৃত নজির। এদের কোনওটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে লাখখানেক টাকা পায়, কোনওটি এক পয়সা নয়; কিন্তু বিভিন্ন সূত্রে এরা ফি-বছর বহু কোটি টাকার রসদ জোগাড় করে, মেলবন্ধন করে বিশ্বের বহু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। এত অল্প লগ্নিতে এত উৎপাদনের নজির দুর্লভ। তাতে উৎসাহদানের বদলে ২০১৪ সালে প্রবল চেষ্টা হয়েছিল এই কেন্দ্রগুলির শিরদাঁড়া ভেঙে দেওয়ার, কারণ এদের মূলমন্ত্র শিক্ষকদের স্বাধীন সিদ্ধান্তগ্রহণ, ঘরে-বাইরে অবাধ আদানপ্রদানের অবকাশ।
মুক্ত চিন্তার মুক্ত প্রকাশ ছাড়া জ্ঞানের বিস্তার সম্ভব নয়। আপাত-নৈর্ব্যক্তিক বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রেও এটা সমান সত্যি। মুক্ত চিন্তা একটা মানসিকতা, সেটা চর্চা করতে গেলে সব সময় সব বিষয়েই করতে হয়। তাতে চলে আসে বাকবিতণ্ডা, অস্বস্তিকর উক্তি, নিছক বেয়াড়াপনা। শোধরাবার হলে প্রতিষ্ঠান নিজের মতো করে শুধরে নেয়। বাইরের খবরদারি ঘটলে বরং অবস্থা ঘোরালো হয়ে ওঠে। গবেষণার অর্থসংস্থান ও আদানপ্রদানও সরকারি ঢঙে হয় না, তার রীতিনীতি আলাদা; তাই প্রশাসনিক ব্যাপারেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্বাধীনতা না দিলেই নয়। টাকার হিসাব নিশ্চয় চাই, কিন্তু শিল্পক্ষেত্রের মতো শিক্ষাক্ষেত্রেও সেই অজুহাতে লাইসেন্স-পারমিট রাজ প্রবর্তন করলে উৎপাদনে ভাটা পড়বে।
গত কয়েক বছরে স্পষ্ট, বর্তমান সরকার শুধু রাজনৈতিক কৌশলে নয়, অর্ডারমাফিক আইনকানুন সাজিয়ে উচ্চশিক্ষাকে প্রশাসনের করায়ত্ত করতে চায়। সরকারের বকলমে শাসকদলের রাজনীতি আগেও ছিল, এখনও আছে; কিন্তু সরাসরি সরকারি নিয়ন্ত্রণ উত্তরোত্তর প্রবল হয়ে উঠছে, শিক্ষাব্যবস্থার পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। এই নিয়ন্ত্রণ প্রায়ই স্থূল ও হঠকারী। বায়োমেট্রিক প্রথায় হাজিরা দিতে হলে আত্মসম্মানবিশিষ্ট তরুণ শিক্ষকের কাজে আসার ইচ্ছা আপনি উবে যাবে। মধ্যপ্রদেশ সরকার আর এক ধাপ এগিয়ে অধ্যাপকদের উর্দি পরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরও গভীর স্তরে, সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন পাঠক্রমের তোড়জোড় অনেক দূর এগিয়েছে। এর পিছনে অবশ্য আছে ইউজিসির সর্বভারতীয় বিধান। কিন্তু যে সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এমনকী সেনাবাহিনীর সঙ্গেও পাঞ্জা কষতে রাজি, পাঠক্রমের মতো নিরামিষ ব্যাপারে আগ বাড়িয়ে কেন্দ্রের নির্দেশপালনে তার কোনও দায় ছিল না, যদি না এতে নিজের অভীষ্ট সিদ্ধ হত।
যে শিক্ষা বিলটি গত মাসে পেশ হতে-হতে হয়নি, তার ছত্রে-ছত্রে এই প্রবণতার অশনি-সংকেত। কয়েকটি প্রস্তাব বিশেষ ভাবে উদ্বেগজনক। একটির উদ্যোগ আগেও হয়েছে: শিক্ষক-ছাত্র সকলের জন্য সরকারি আচরণবিধি প্রবর্তন। আরও মৌলিক যে বিধি (স্ট্যাটিউটস) বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার অপরিহার্য অঙ্গ বলে আমরা জানতাম, আচরণবিধির অনেক জরুরি বিষয় যার অন্তর্ভুক্ত হত, সেটি কিন্তু বছরের পর বছর আটকে রাখা হচ্ছে। আগের অভিজ্ঞতা থেকে স্পষ্ট, এ অবস্থায় আচরণবিধি প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য শিক্ষাপ্রাঙ্গণে বাকস্বাধীনতা রোধ করা।
বিলের আর একটি ধারা আরও মারাত্মক: তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অন্য কর্মীরা ভারতীয় দণ্ডবিধির সংজ্ঞা অনুসারে সরকারি কর্মী হিসাবে গণ্য হচ্ছেন। এতে খবরদারির প্রকোপ অবশ্যই বাড়বে, সারস্বত কাজকর্মে আসবে অশেষ বাধা। আমি শিক্ষকজীবনের প্রথমার্ধ কাটিয়েছি প্রেসিডেন্সি কলেজে। বলতে দ্বিধা নেই, তার সারস্বত সম্ভাবনা যে আরও বহুগুণ বিকাশ পায়নি, তার প্রধান কারণ সেটি ছিল সরকারি প্রতিষ্ঠান। নিয়মের ফাঁসে অত্যন্ত সাধারণ কাজগুলি ছিল দুঃসাধ্য বা সরাসরি নিষিদ্ধ; স্বাধীন উদ্যোগে নতুন কিছু করা আরও দুঃসাধ্য, কখনও-কখনও অপমানজনক। পরে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দেখলাম, সেখানে এ সবই করা সম্ভব মূলত এই কারণে, যে দমবন্ধ বিধিনিষেধের পাট নেই। প্রেসিডেন্সি আজ বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, ধরে নিচ্ছি তার বাতাবরণ মুক্ত। সেখানে বা অন্যত্র পশ্চাদগমন ঘটলে উদ্যোগ ও উৎকর্ষের সন্ধান ব্যাহত হবে।
সরকারি চাকরির আর এক অনুষঙ্গ, তাতে কর্মীরা বদলি হয়। এই শর্ত আরোপ করা হচ্ছে কলেজ শিক্ষকদের উপর। বদলির হাতিয়ার ব্যবহার হয় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে বা অনুগ্রহ বিতরণ করতে, এক কথায় কর্মীকুলকে পোষ মানাতে। কম্পালসরি ওয়েটিং, চাকরি ছাড়ার অনুমতিদান ইত্যাদি ব্যাপারে এই সরকারের যে খতিয়ান, তাতে বদলি-প্রথার অপব্যবহারের ষোলো আনা সম্ভাবনা। তা যদি নাও হয়, সব বদলি নিয়ম মেনে রুটিনমাফিক হয়, তাতেও পঠনপাঠন ব্যাহত হয়, গবেষণায় ছেদ পড়ে, ধারাবাহিকতার অভাবে প্রকল্প চালানো বা গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন অসম্ভব হয়ে পড়ে। মূল কথা, প্রতিষ্ঠানের কোনও নিজস্ব সত্তা গড়ে উঠতে পারে না; পরিচালনার ক্ষমতা (সর্বাগ্রে নিয়োগের ক্ষমতা) চলে যায় সরকারের হাতে।
‘দ্য স্টেট গভর্মেন্ট শাল হ্যাভ পাওয়ার’ কথাগুলো কীর্তনের ধুয়োর মতো বিলের প্রতি অনুচ্ছেদে ফিরে আসছে। তার ছত্রছায়ায় স্থান পেয়েছে কতকগুলি অবিশ্বাস্য ফাঁক, আইনের নামে যথেচ্ছাচারের প্রবর্তন। কলেজের পরিচালনসমিতির মেয়াদ আইনে নির্ধারিত নেই, তা বলে দেবে সরকারি নির্দেশ। আবার সেই মেয়াদও সরকার খুশিমতো রদ করতে পারবে। এ অবস্থায় কোন সমিতি বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নেবে, হাতে নেবে কোনও বড় পরিকল্পনা? এটা একটা দৃষ্টান্ত মাত্র। সাধারণ ভাবে বলা চলে,এই আইনবলে কেবল প্রশাসনিক নির্দেশ জারি করে (অর্থাৎ নতুন করে আইনসভার শরণ না নিয়ে) কর্তারা যা খুশি করতে পারেন, নির্দেশ বদলাতেও পারেন বারংবার। গত পাঁচ বছরে তিন দফায় বিশ্ববিদ্যালয় আইন পালটানো হয়েছে, তাতে সরকারের কর্তৃত্ববিস্তার প্রায় সার্বিক স্তরে পৌঁছেছে। এই বিলের উদ্দেশ্য তা আঠারো আনা পূর্ণ করা।
টাটকা এই বিলকে যদি সরকারের শিক্ষাচিন্তার সাক্ষ্য বলে ধরি, ভবিষ্যতের জন্য তা কোনও আশ্বাস বহন করে না। ভয় হয়, মুখ্যমন্ত্রী যদি ভাল কোনও সারস্বত প্রস্তাব রাখেন, উলটো পথে উলটো মেজাজে প্রণয়নের ফলে কেবল সেই স্বপ্ন অপূর্ণ থাকবে না, বর্তমান ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হবে। অনেক আশা, অনেক উৎকণ্ঠা নিয়ে আগামী দিনের দিকে তাকিয়ে থাকব।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে এমেরিটাস অধ্যাপক