গড়িয়াহাটের আগুনেই যেমন জানা গেল, পুরসভা ছয় মাস পূর্বেই হকার বিধি প্রস্তুত করিয়াছিল। সেই বিধি লইয়া আলোচনায় বসিবার জন্য এ হেন একটি অগ্নিকাণ্ডের প্রয়োজন ছিল কি না, সেই প্রশ্ন আপাতত বকেয়া থাকুক। যথেচ্ছ হকার যে আগুনের সমস্যাটিকে বহু গুণ জটিল করিয়া তুলিয়াছে, রাজনৈতিক সমাজ এই কথাটি স্বীকার করিতেছে, ইহাই যথেষ্ট।
২৪ জানুয়ারি, ২০১৯
লিঙ্গসাম্যের সূচকে বাংলাদেশের পশ্চাতে ভারত। এবং, ২০০৬ হইতে ভারতের স্থান ওই সূচকে নিম্নগামী। লক্ষণীয়, এই বারো বৎসরে ভারতে মেয়েদের মধ্যে উচ্চশিক্ষার হার ক্রমশ বাড়িয়াছে, কিন্তু কর্মে যোগদান কমিয়াছে। ভারতে যে কর্মরত মেয়েদের অনুপাত কমিয়াছে, তাহাতে বিশ্ব বিস্মিত— অধিক শিক্ষা কেন মেয়েদের জন্য অধিক সম্পদ আনিল না!
২৪ জানুয়ারি, ২০১৯
Farmer
স্বাতী ভট্টাচার্য
দেশজোড়া কৃষক বিক্ষোভে থরহরি কেন্দ্রীয় সরকার ধানের দর বেঁধেছে কুইন্টালে ১৭৫০ টাকা। প্রতি বছর পঞ্চাশ-একশো টাকা সরকারি দর বাড়ে, এ বার এক লাফে তিনশো টাকা। পেলে হাতে চাঁদ পাবে বাংলার চাষি। কিন্তু পাচ্ছে কই? ‘‘সরকার যত বেশি ধান কিনবে, ফড়ের পকেট তত বেশি ভরবে’’, বললেন এক গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান।
২৪ জানুয়ারি, ২০১৯
Mental
রত্নাবলী রায়
এই ঘটনাটা সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ভাইরাল’ হয়ে উঠেছিল। স্বামী বা ভাই কি মহিলাকে ত্যাগ করে ঠিক করেছে? এক পক্ষের মত: কাজটা অমানবিক। ঘর, স্বামী, সন্তানের থেকে এ ভাবে একটি মেয়েকে কি সরিয়ে দেওয়া যায়? অন্য পক্ষের বক্তব্য: উপায় কী?
২৪ জানুয়ারি, ২০১৯
Moushumi Chatterjee
অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
বন্যেরা যেমন নাকি বনে, অথবা শিশুরা মাতৃক্রোড়ে, তেমনই নাকি ভারতীয় নারীরা সুন্দর সমাজের স্থির করা নির্দিষ্ট মাপকাঠির পোশাকেই। অন্যথায় অসুন্দর তথা কুৎসিত তথা অশ্লীল অতএব ধর্ষণের যোগ্য।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Ishwar Chandra Vidyasagar
জেনে রাখা ভাল, বেশ কয়েক বছর আগেই বড়বাজার ব্রাঞ্চের দিবা বিভাগের ছেলেদের স্কুলটি ছাত্রাভাবে উঠে গিয়েছে (ডিরেকগনাইজ়ড)। শিক্ষকদের কেউ বা অবসর নিয়েছেন। অন্যরা দু’তিনটি বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হয়ে বর্তমানে কর্মরত। বৌবাজারের স্কুলটিরও বাংলা মাধ্যমে ছাত্রাভাব।
২৪ জানুয়ারি, ২০১৯
subhas
১ ৯৩৮ সালের ফেব্রুয়ারি। গুজরাতের হরিপুরায় জাতীয় কংগ্রেসের ৫১তম অধিবেশনে সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত হলেন সুভাষচন্দ্র বসু। ওই বছর তিনি বাংলা প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সভাপতি হিসেবেও পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পরে সুভাষ প্রথম যে জেলা পরিদর্শনের কথা চিন্তা করেছিলেন সেটা মেদিনীপুর। সুভাষের ইচ্ছা অনুসারেই তমলুক মহকুমা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি মহেন্দ্রনাথ মাইতি-সহ অন্য বিপ্লবীদের নেতৃত্বে তমলুক শহরে সুভাষের জনসভার তোড়জোড় শুরু হয়। ১৯৩৮ সালের ১১ এপ্রিল, মঙ্গলবার শহরের রাজ ময়দানে স্থির হয় সভার নির্ঘণ্ট। ব্রিটিশ সরকারের তৎকালীন জেলাশাসক সভা বন্ধে তৎপর হয়ে ওঠেন। রাজ ময়দান খেলাধুলোর জন্য হ্যামিল্টন হাইস্কুলকে দিয়েছিল তমলুক রাজ পরিবার। হ্যামিল্টন হাইস্কুলের পরিচালন কমিটির সম্পাদক তখন শরৎচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, বিপ্লবী অজয় মুখোপাধ্যায়ের বাবা। মেদিনীপুরের জেলাশাসক হ্যামিল্টন হাইস্কুলের সম্পাদক শরৎচন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানান, রাজ ময়দানে সুভাষচন্দ্রের জনসভা হলে স্কুলের অনুমোদন প্রত্যাহার করা হবে। হুঁশিয়ারির মুখে তমলুক রাজ পরিবারের কর্তা সুরেন্দ্রনারায়ণ রায় শহরের অন্যপ্রান্তে চড়ক মেলার জায়গায় জনসভা করার প্রস্তাব দেন। সেই জায়গার মালিক ছিল সাহা পরিবার। তাদের মদের দোকানের লাইসেন্স ছিল। ফলে মেলার মাছে সুভাষের সভা হলে আবগারি লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেয় ব্রিটিশ প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে তমলুকে সুভাষচন্দ্রের জনসভা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিপ্লবী অজয় মুখোপাধ্যায়, সতীশচন্দ্র সামন্ত, কুমারচন্দ্র জানা, রজনীকান্ত প্রামাণিকরা তখন তমলুক রাজবাড়ি চত্বরে সভার আয়োজন করতে রাজপরিবারের কর্তা সুরেন্দ্রনারায়ণের সাহায্য চান। সুরেন্দ্রনারায়ণের ছেলে ষড়েন্দ্রনারায়ণ এবং বীরেন্দ্রনারায়ণের মধ্যস্থতায় রাজবাড়ির খাটপুকুরের উত্তর পাড়ের দিকে খোসরং আমবাগান সংলগ্ন মাঠে সভা আয়োজনের সম্মতি মেলে। প্রয়াত বীরেন্দ্রনারায়ণ রায় সুভাষচন্দ্রের স্মৃতি চারণায় লিখেছেন, ‘একদিন সন্ধ্যায় পিতা ঠাকুরের পদসেবা করার সময় আমি তাঁকে খোসরঙের আমবাগানে সুভাষবাবুর জনসভা করার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করি। পিতা ঠাকুর সঙ্গে সঙ্গে অনুমতি প্রদান করেন।’ বীরেন্দ্রনারায়ণ আরও লিখেছেন, ‘আমি অজয়দাকে সেই অনুমতির কথা জানিয়ে দিয়ে বলি, আপনারা আমবাগান পরিষ্কার করে সুভাষচন্দ্রর জনসভার ব্যবস্থা করুন। তবে আমাদের একটি শর্ত আছে। সুভাষবাবুকে আমাদের বাড়ির ভিতরে আসতে দিতে হবে। আমরা সেখান থেকে তাঁকে সভাস্থলে নিয়ে যাব। অজয়দা প্রথমে গররাজি হলেও শেষ রাজি হলেন।’’ ১১ এপ্রিল সকালে হাওড়া থেকে ট্রেনে চেপে তমলুক রওনা হয়েছিলেন সুভাষচন্দ্র। সফরসঙ্গী ছিলেন অধ্যাপক জ্যোতিষ ঘোষ, হেমন্তকুমার রায়, প্রমথনাথ বন্দ্যোয়াপাধ্যায়, রামসুন্দর সিংহ, নিকুঞ্জবিহারী মাইতি, বসন্তকুমার দাস ললিতকুমার সিংহরা। কোলাঘাট স্টেশনে পৌঁছনোর পরেই জেলাবাসীর পক্ষ থেকে আইনসভার সদস্য গোবিন্দ ভৌমিক সুভাষকে অভিনন্দন জানান। ট্রেন পাঁশকুড়া স্টেশনে পৌঁছলে তমলুক মহকুমা কংগ্রেসের কমিটির সম্পাদক সতীশচন্দ্র চক্রবর্তী সুভাষকে মাল্যদান করে সংবর্ধনা জানান। পরে গাড়িতে পাঁশকুড়া থেকে পাঁশকুড়ার জোড়াপুকুরে যান সুভাষ। সেখানে ছোট সভা হয়। তারপর গন্তব্য ছিল তমলুক পুরসভার অফিস। পুরভবনে যে চেয়ারে সুভাষচন্দ্র বসেছিলেন সেটি সংরক্ষিত রয়েছে। এখান থেকে পার্বতীপুরে কংগ্রেস নেতা সতীশচন্দ্র চক্রবর্তীর বাড়ি ‘বৈকুণ্ঠধাম’ হয়ে সকাল ১১ টা নাগাদ গাড়িতেই রাজবাড়ির ফটকে পৌঁছন সুভাষ। ততক্ষণে সেখানে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমেছে। তমলুকের রাজা সুরেন্দ্রনারায়ণ মালা, ধান, দূর্বা ও চন্দন দিয়ে বরণ করে নেন সুভাষকে। সুরেন্দ্রনারায়ণের সঙ্গেই হেঁটেই সভাস্থলে পৌঁছন সুভাষ। তারপর মেদিনীপুর জেলা তথা তমলুক মহকুমাবাসী স্বাধীনতা আন্দোলনে শরিক হয়ে যে ভাবে কৃচ্ছসাধন করছেন, তাঁর প্রশংসা করেন। আর দেশকে পরাধীনতার বেড়ি থেকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। সে দিন সভাপতিত্ব করেছিলেন বিশিষ্ট কংগ্রেস নেত্রী ইন্দুমতী ভট্টাচার্য (স্বাধীনতা সংগ্রামী শ্যামাদাস ভট্টাচার্যের মা)। সভা শেষে দুপুরের খাওয়া সেরে বিকেলে তমলুক শহর দেখতে বেরোন সুভাষ। প্রথমেই গিয়েছিলেন বর্গভীমার মন্দিরে। সেখানে পুজো দিয়ে যান রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে। সন্ধেয় তমলুক রাজবাড়ির মন্দিরের আটচালায় বিশিষ্টদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক করেন সুভাষ। সেই রাতে বৈকুণ্ঠধামের অদূরে তমলুক মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি মহেন্দ্রনাথ মাইতির পাকাবাড়ির তিনতলার ছাদে কংগ্রেস কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন। সুভাষের স্মৃতি বিজড়িত খোসরং ময়দান এখন অবহেলায় পড়ে। রাজবাড়ির প্রবেশপথ ও প্রাঙ্গণে সুভাষচন্দ্রের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। যে বৈকুণ্ঠধামে তিনি রাত কাটিয়েছিলেন, সেই বাড়িটিরও সংস্কার হয়েছে। কংগ্রেস নেতা সতীশচন্দ্র ও তাঁর স্ত্রী ইন্দুপ্রভাদেবীর ইচ্ছানুসারে তাঁদের নামাঙ্কিত ট্রাস্ট চালায় দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র। দোতলা ওই বাড়ির দোতলার ঘরে রাত কাটিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্র। সেই ঘরে তাঁর ব্যবহৃত সুদৃশ্য চেয়ার এখনও রক্ষিত আছে। যাঁরা সে দিনের সভার কথা পূর্বপুরুষদের কাছে শুনেছেন, তাঁরা বাঁচিয়ে রেখেছেন সুভাষ স্মৃতি। বিপ্লবী মহেন্দ্রনাথ মাইতির পরিবারের উত্তরসূরি কল্লোল মাইতি জানান, যে রাতে বৈকুণ্ঠধামে সুভাষচন্দ্র ছিলেন, সেই রাতে তাঁর জন্য ইন্দুপ্রভাদেবী ৫২ রকমের নিরামিষ পদ রান্না করেছিলেন। বৈকুণ্ঠধামের সামনে সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে মহেন্দ্রনাথ ও সতীশচন্দ্রের ছবিও যত্নে রাখা হয়েছে। তমলুক থেকে পরদিন কাঁথির পথে রওনা হয়েছিলেন সুভাষ।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
malda college
অস্থায়ী ভবনে পথচলা শুরু যে কলেজের, বহু ইতিহাসের সাক্ষী থেকে সেই মালদহ কলেজই উদ্‌যাপন করছে প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী। লিখছেন সৌরেন বন্দ্যোপাধ্যায়
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Suranjan Das
স্বাধীনতা বস্তুটি অমূল্য। কিন্তু সেই অমূল্য স্বাধীনতা রক্ষার জন্যই কখনও কখনও কিছু মূল্য ধরিয়া দিতে হয়। বিশেষত স্বাধীনতার অপব্যবহারের প্রবণতা প্রবল হইয়া উঠিলে। প্রসঙ্গটি আসিতেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সিসিটিভি বসাইবার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Mukesh Ambani
ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার যুক্তি হইল, অর্থনীতি যত বেগবান হইবে, আর্থিক কর্মকাণ্ড যত বাড়িবে, ততই দরিদ্র মানুষের নিকট তাহার সুফল উপচাইয়া আসিবে।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Pranab Bardhan
লোকের হাতে যদি আমরা টাকা দিয়ে দিই, তবে লোকে ওটা বেসরকারি ক্ষেত্রে খরচ করবে। সরকার ঠিকমতো পরিষেবা না দিতে পারলেও গরিবকে সেই সরকারি পরিষেবা কিনতেই বাধ্য করা হবে, এটা তো ঠিক নয়। আমি মনে করি, গরিব মানুষের একটা স্বাধিকার থাকা দরকার। তাঁকে টাকা দেওয়া হলে সেই টাকা তিনি কী ভাবে খরচ করবেন, সে বিষয়ে তাঁর স্বাধীনতা থাকা দরকার।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Representational Image
আফরোজা খাতুন
ভারতে মুসলিম মেয়েরা যে পারিবারিক আইনের সংস্কার চায়, তা শুধু তালাক প্রথা রদ করার জন্য নয়। তার অন্যতম কারণ: সম্পত্তির অধিকার।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Subhas Chandra Bose
কেউ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘‘সব কিছু খুলে বলা সম্ভব নয়। তাঁর অতীত জীবনটাই সুভাষবাবুর কাছে মেলে ধরেছিলাম। যে কথা তিনি ছাড়া আর কেউ জানেন না এমন কথাও তাঁর সামনে তুলে ধরেছিলাম।’’ লিখছেন আবু তাহের।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Subhas Chandra Bose
বাংলার অধিকাংশ ছাত্র ও যুবকের নয়নের মণি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর বক্তৃতা শুনতে নানা প্রান্ত থেকে মানুষ হাজির হয়েছিলেন শহরের। লিখছেন কবিতা মুখোপাধ্যায়
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
netaji
উদয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়
এই মুহূর্তে আমাদের দেশে দেশপ্রেমের একটি বিকৃত কাঠামোকে হাজির করা হচ্ছে। সেখানে মানুষের থেকে গরুর প্রাণের দাম বেশি।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
netaji
শিবাজীপ্রতিম বসু
দু’টি ক্ষেত্রেই যিনি আদ্যোপান্ত আপসহীন। সুভাষচন্দ্রের জ্বলন্ত দেশেপ্রমের সঙ্গে এই প্রখর সাম্প্রদায়িকতা বিরোধিতা মেনে নিতে পারবেন কি মোদি-শাহ জুটি?
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Bride
বিয়ের দিন বেনারসি পরা বাঙালি বধূ চোখে পড়লেও বৌভাতের দিন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেনারসি নিঃশব্দে জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে লেহেঙ্গা-চোলিকে।
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Temple
জঙ্গলমহলের অশান্ত রাজনৈতিক পর্বের সাক্ষী একটি মন্দির। সেটি ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা সময়ে নানা জনশ্রুতি। জড়িয়ে রয়েছেন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বও।
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Mark
অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
হ্যাশট্যাগ টেন ইয়ার চ্যালেঞ্জ— এই শব্দবন্ধ সোশ্যাল মিডিয়ার বাসিন্দাদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত হয়ে উঠেছে সম্প্রতি। দশ বছর আগে কেমন দেখতে ছিল আপনাকে বা আমাকে, আর এখন কেমন দেখতে হয়েছি আমি বা আপনি, সোশ্যাল মিডিয়ায় জোড়া-ছবি পোস্ট করে তা দেখিয়ে দেওয়ার বন্দোবস্তের নামই হ্যাশট্যাগ টেন ইয়ার চ্যালেঞ্জ।
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Ganges
‘গঙ্গার হার্টের অসুখ, হচ্ছে দাঁতের চিকিৎসা’ (৯-১) প্রতিবেদনের সূত্রে কিছু কথা। গত তিন দশক ধরে চলছে গঙ্গার দূষণ মুক্তির নামে কমিটি, টাস্ক ফোর্স, মন্ত্রক গঠন। শুরু গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান ১৯৮৬-তে। গঙ্গার দূষণমুক্তি ও অবিরল প্রবাহের জন্য সরকারি স্তরে ব্যবস্থা করার পরিবর্তে পরিবেশ-বিরোধী কাজ হয়েছে, এখনও হচ্ছে।
২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
Alliance
এক দিক দিয়া এই ছবি ভারতের রাজনীতির একটি নূতন গতিপথের ইঙ্গিত দেয়। অন্তর্লীন সংঘাত সত্ত্বেও যে বহু দল এক জায়গায় আসিতে পারিল, তাহা বুঝাইয়া দেয়, জোট-রাজনীতির দিক দিয়া ভারতীয় রাজনীতি এখন পূর্বাপেক্ষা অনেক প্রত্যয়ী, দৃঢ়মনস্ক।
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Malda College
দুর্ভিক্ষ, মৃত্যুমিছিল আর স্বাধীনতার লড়াই। এর মধ্যেই নির্জনে জন্ম নিয়েছিল মালদহ কলেজ। ঐতিহাসিক যে কলেজ আজ ৭৫ বছরে। লিখছেন সৌরেন বন্দ্যোপাধ্যায়
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Bramhacharya Ashram
শিষ্যার আগ্রহে কালনার সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয় উপেন্দ্রনাথ বা নিত্য গৌরবানন্দের। বদলে যায় তাঁর জীবন। বদলায় কালনার রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপরেখাও। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে কালনায় এসেছিলেন স্বয়ং সুভাষচন্দ্র বসু। লিখছেন সোমনাথ ভট্টাচার্য
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Cinema Hall
এক্ষণে একটি অনিবার্য আপত্তি উঠিবে— যাহাদের আপত্তিতে এত দিন সিনেমা হলগুলি বন্ধ ছিল, এখন তাহারা কি ফের অশান্তি করিবে না? কাশ্মীরে কি সমস্যার অভাব যে আর একটি বাড়তি হুজ্জত ডাকিয়া আনিতে হইবে? বিশেষত, সিনেমার ন্যায় একটি অকিঞ্চিৎকর বিষয়ে এই অতিরিক্ত সংঘর্ষ কি দরকার ছিল?
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Narendra Modi
অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
নরেন্দ্র মোদী যে কার পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেন, এবং কার সমালোচনায় কর্ণপাত করেন, দেশবাসীর কাছে তা এক রহস্য। মোদী সরকার কোনও নীতি (পলিসি) গ্রহণের আগে সেটি নিয়ে একটা উচ্চমানের, পরিশীলিত আলোচনা হয়েছে, এমন চোখে পড়ে না। যেটুকু জানা যায়, তিনি ২০১৫ সালে এক বার উচ্চপদস্থ আমলাদের থেকে উন্নয়ন সম্পর্কে কিছু প্রস্তাব চেয়েছিলেন।
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Immigrants
শুভশ্রী নন্দী
সমগ্র ভূমণ্ডলের সমস্যাজর্জরিত দেশগুলোর সীমান্ত জুড়ে ছেয়ে আছে হয় যুদ্ধের দাঙ্গার তাণ্ডব, অথবা শরণার্থী নিয়ে অসন্তোষ। তুলনামূলক ভাবে অনুন্নত-দরিদ্র একটা দেশের মানুষের ঢল উন্নত দেশের দিকে ধাবমান হয়— কখনও নিরাপত্তার প্রশ্নে, কখনও-বা উন্নত মানের জীবনের স্বপ্নে।
২২ জানুয়ারি, ২০১৯
Debashis Danda
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
House
পরিবারটির শিকড় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার ঘোড়ামারায়। সুরাবর্দি পরিবার সম্ভ্রান্ত বাঙালি মুসলিম পরিবার। ওবায়েদুল্লা ওবেদি সুরাবর্দি ছিলেন পণ্ডিত ব্যক্তি।
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Mayawati
অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
মায়াবতী ‘মহিলা না পুরুষ বোঝা মুশকিল, নারী জাতির কলঙ্ক, ক্ষমতার জন্য সম্মান-সম্ভ্রম সব বিকিয়েছেন’— এমনই নানা মন্তব্য করেছেন সাধনা।
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Calcutta High Court
যে মামলাটির প্রেক্ষিতে বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায় মানবাধিকার কমিশনের মর্যাদা স্মরণ করাইলেন রাজ্যকে, তাহার মধ্যেও এই বিলম্ব করিবার প্রচেষ্টা পরিষ্কার। ২০১২ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যঙ্গচিত্র সোশ্যাল মিডিয়াতে দিবার অভিযোগে অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে গ্রেফতার করিয়াছিল পুলিশ।
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Theresa May
ব্রেক্সিট নামক উভয়সঙ্কটটির চরিত্র এক অর্থে জটিল, অন্য অর্থে সরল। জটিল, কারণ ব্রিটেন এবং ইউরোপের পারস্পরিক সম্পর্কের অনেকগুলি সমস্যা রহিয়াছে, যাহার কোনও সরল সমাধান নাই। তাহার সহিত যুক্ত আয়ারল্যান্ড প্রশ্ন, যাহা ব্রিটেনের ইতিহাসের এক কণ্টকিত উত্তরাধিকার।
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Balendranath Tagore
৮ পৌষ বিশ্বভারতীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের শতবর্ষ পেরিয়ে এল। বাংলার শিক্ষাকাশে যা নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এর নেপথ্যে রয়েছেন রবীন্দ্রনাথের ভ্রাতুষ্পুত্রও। লিখছেন রাহুল হালদার
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Stage
‘চিরকুমার সভা’ দেখে ভদ্রলোক বললেন, ‘‘গলায় সুর আছে, গানটা একটু চর্চা করলেই তো হয়!’’ লিখছেন হরিমাধব মুখোপাধ্যায়
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Land
লোকসংস্কৃতি, না ‘লোকযান’। যেখানে সংস্কৃতির অর্থ শুধু নাচ, গান, আনন্দ যাপন নয়, যেখানে লোকসংস্কৃতিই হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের জীবনচর্চার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই সংস্কৃতি মানব অন্তরে জন্ম দেয় কৃতজ্ঞতাবোধের। লক্ষ্মী হয়ে ওঠেন ঘরের মেয়ে। গরু পরিবারের সদস্য। বাদ যায় না পরিবারের জড় বস্তুরাও। লিখছেন তপন পাত্র
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Car
শহর বর্ধমানে পণ্য পরিবহণের জন্য ট্রাকের ব্যবহার সেই বিশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে। সেই সময় থেকেই ট্রাকের পিছনে ‘নমস্কার’, ‘শুভযাত্রা’ ইত্যাদি কথা লেখা থাকত। তখন থেকেই এই লেখাকে জীবিকা করে তুলেছিলেন এক দল মানুষ। তাঁদের হাতে পড়ে মাঝে মধ্যে চেনা শব্দও অচেনা হয়ে উঠত। লিখছেন শ্রীকান্ত বসু
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
brigade
অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
এই মুহূর্তের অগ্রাধিকার হল বিরোধীদের সামর্থকে বিভাজিত হতে না দেওয়া, তাতে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একটা একটা উল্লেখযোগ্য সমষ্টির জমাট বাঁধার ইঙ্গিত মিলল।
২০ জানুয়ারি, ২০১৯
Radiology
কিন্তু সেই বামফ্রন্ট আমল থেকে আজ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেকের জন্যে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিংয়ের ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করেনি খরচের ভয়ে। যেটা কয়েকটি রাজ্য করে দেখিয়েছে। খরচ ঠিক জায়গায় না করে দিকে দিকে ঝাঁ চকচকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গড়ে উঠেছে।
২১ জানুয়ারি, ২০১৯
Bollywood Celebrities and Narendra Modi
উপলক্ষটা সাদা চোখে কী? পরের দিন দু’দুটো ছবির মুক্তি। ‘উরি’ আর ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। ‘উরি’-র প্রধান অভিনেতা দলে ছিলেন। জয় হিন্দের ভিডিয়োতে দেখলাম, সব্বাই জনগণের উদ্দেশে চেঁচিয়ে বলছেন, ‘‘কাল কিন্তু ‘উরি’ মুক্তি পাচ্ছে!’’
২০ জানুয়ারি, ২০১৯
London
শ্রাবণী বসু
জেমস গ্রাহাম নির্দেশিত এই ড্রামায় দেখানো হয়েছে কী করে ‘ভোট লিভ’ শিবির কামিংসকে এই প্রচারের মাথায় বসিয়ে দিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালিয়ে কী করে কামিংস ভোটারদের মন মজালেন।
২০ জানুয়ারি, ২০১৯
Trending
সম্প্রতি বিবাহিতা এক ভারতীয় নায়িকা, যিনি বয়সে বেশ কনিষ্ঠ এক পুরুষকে বিবাহ করিয়াছেন, তাঁহার দশ বৎসর পূর্বের এক ছবির ক্রোড়ে এক শিশুর ছবি দিয়া বুঝানো হইতেছে, সেই শিশুই কি আজ স্বামী! কোথাও মহেঞ্জোদড়োর শ্মশ্রুবিশিষ্ট পুরুষমূর্তির ছবি দিয়া ও পার্শ্বে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়া লিখা হইতেছে, ইহা পাঁচ সহস্র বৎসরের চ্যালেঞ্জ!
২০ জানুয়ারি, ২০১৯
আরও খবর