Advertisement
E-Paper

যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, মানুষের ভুলেই কেলেঙ্কারি! সিবিএসই-র ওএসএম বিতর্কে দাবি বিতর্কিত সংস্থার

কোএম্পট এডুটেক-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ভুয়ো নথি প্রদান, খাতা স্ক্যানিং-এ গোলমাল, সুরক্ষিত সফট্অয়্যার ব্যবহার না করার মতো ঘটনার জেরে তেলঙ্গানার ইন্টারমিডিয়েট (প্লাস টু) পরীক্ষার্থীরা এবং নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন বলে দাবি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৮:১১

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলপ্রকাশের জন্য সিবিএসই ওএসএম পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল। যে সংস্থাকে বোর্ড দায়িত্ব দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার খাতা স্ক্যান করা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুলল অভিযুক্ত সংস্থা।

সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, স্ক্যানিং করার যন্ত্রে কোনও সমস্যা ছিল না। বরং যাঁরা ওই যন্ত্রের সাহায্যে কাজ করেছিলেন তাঁদের ভুলেই এত বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, কোএম্পট এডুটেক বিষয়টি নিয়ে সরকারি আধিকারিকের কাছে বিশদ বক্তব্য পেশ করেছে।

কী কারণে পরীক্ষার মূল্যায়নে সমস্যার সৃষ্টি হল, তা নিয়ে সংস্থার তরফে অভ্যন্তরীণ তদন্ত হয়েছে। সেখানেই ধরা পড়েছে, যাঁরা যন্ত্রের সাহায্যে খাতা স্ক্যান করেছিলেন, তাঁদের গাফিলতির কারণেই পরীক্ষার্থীদের খাতা অদলবদল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কোনও সুযোগ নেই।

ওএসএম ব্যবস্থা পরিচালনা থেকে শুরু করে তথ্য সুরক্ষিত রাখা কিংবা উন্নতমানের যন্ত্রের সাহায্যে খাতা স্ক্যানিং করার মতো যাবতীয় কাজে তাদের সুনাম রয়েছে বলেও দাবি করেছে ওই সংস্থা। নিজেদের বক্তব্যে কোএম্প জানিয়েছে, দেশের ৩৫ বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় ২ কোটিরও বেশি খাতা স্ক্যান করেছে তারা। তাতে সুষ্ঠু ভাবে ডিজ়িটাইজেশন, অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম), কৃত্রিম মেধা নির্ভর মূল্যায়ন সংক্রান্ত কাজও করা হয়েছে। কোনও সমস্যা হয়নি।

উল্লেখ্য, কোএম্পট এডুটেক-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ভুয়ো নথি প্রদান, খাতা স্ক্যানিং-এ গোলমাল, সুরক্ষিত সফট্অয়্যার ব্যবহার না করার মতো ঘটনার জেরে তেলঙ্গানার ইন্টারমিডিয়েট (প্লাস টু) পরীক্ষার্থীরা এবং নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন বলে দাবি। এ ছাড়াও সংস্থার বিরুদ্ধে সিবিএসই-র খাতার জন্য রোবোটিক স্ক্যানারের বদলে সাধারণ মানের স্ক্যানার ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।

এ জন্য পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে সিবিএসই। বোর্ডের আশ্বাস, পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পূর্ণ করা হবে। এই বিষয় নিয়ে কোনও রকম আপস করা হবে না। পড়ুয়াদের সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রত্যেককে প্রাপ্ত নম্বর দেওয়া হবে।

তবে, দীর্ঘ দিন পরও কেন পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশিত হল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অনেকেই শুধুমাত্র সঠিক নম্বর পাচ্ছেন না বলে পছন্দের বিষয় নিয়ে স্নাতকে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন। দেশের লক্ষাধিক পড়ুয়ার খাতার মূল্যায়নে বিলম্বের কারণ কী? তা নিয়ে কোনও বক্তব্য পেশ করেননি কোনও সিবিএসই কর্তাই।

CBSE Class 12 Results Exam Results
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy