Advertisement
E-Paper

ভোটকেন্দ্রে শৌচালয় তদারকির দায়িত্বও বিএলও-দের! উঠছে শিক্ষকদের সম্ভ্রমহানির অভিযোগ

শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, এ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা তাঁদের কাছে এসে পৌঁছয়নি। তবে বিভিন্ন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ফোন করে বিএলও-দের ডেকে পাঠিয়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:২৭

— প্রতীকী চিত্র।

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁরা কাজ করেছেন নির্বাচন কমিশনের হয়ে। বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ থেকে দু’দফায় নিবিড় সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছেন বিএলও-রা। এ বার তাঁদের জন্য নতুন কাজের ফরমায়েশ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ ঠিক মতো হচ্ছে কি না, শৌচালয় পরিষ্কার কি না, খতিয়ে দেখতে হবে তাঁদের। তবে এই নির্দেশ একান্তই মৌখিক, অভিযোগ বিএলও কাজের দায়িত্বে থাকা একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর।

শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, এ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা তাঁদের কাছে এসে পৌঁছয়নি। তবে বিভিন্ন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ফোন করে বিএলও-দের ডেকে পাঠিয়েছেন। আবার কোথাও অভিযোগ, বিএলও-দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বার্তা দিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে এবং কাজের দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। শুধু ইআরও নন, তাঁর অধীনস্থ সুপারভাইজ়ারাও এই ফোন করছেন বলে অভিযোগ।

ভোটকর্মী এবং বিএলও ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার মিলে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে লাটে তুলে দিতে চাইছে। গত নভেম্বর থেকে এসআইআর-এর কাজ করতে গিয়ে শিক্ষকেরা তাঁদের আসল দায়িত্বটাই পালন করতে পারেননি। এর পর আবার নতুন এবং অকিঞ্চিৎকর দায়িত্ব চাপিয়ে আসলে শিক্ষকদের সম্ভ্রমহানি করা হচ্ছে।”

গত ৭ নভেম্বর থেকে বিএলও হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। সে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ব্যাহত হয়েছিল প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পঠনপাঠন। অভিযোগ, পরীক্ষার জন্য ঠিক মতো প্রস্তুতির সুযোগই পায়নি পড়ুয়ারা। সংশয় তৈরি হয়েছিল দু’টি বড় পরীক্ষা আদৌ কী ভাবে নেওয়া হবে। কাজের চাপে একের পর এক বিএলও-র মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। এ বার নতুন করে সম্মানহানির প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষকেরা।

আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই রাজ্যে ঢুকেছে আধাসেনা। বিভিন্ন স্কুল ভবনে তাদের থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে এপ্রিলে শুরু হচ্ছে সামেটিভ পরীক্ষা। এক শিক্ষক বলেন, “এপ্রিল থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। চার মাস দিন-রাত এক করে খেটেছি। স্কুলের কাজই বরং করা হয়নি। এ বার এপ্রিলে পরীক্ষা। ক্লাস নেব কখন?”

BLO West Bengal Assembly Election 2026
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy