পিএইচডি-র বিধিতে বদল আনতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। গুরুত্ব কমছে বিষয়ভিত্তিক বিভাগগুলির। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (নেট), স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট (সেট) বা গ্রাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার ট্রেনি (গেট) পরীক্ষায় পাশ করলেই পিএইচডি-র সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা। শীঘ্রই এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চলেছেন কর্তৃপক্ষ।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু বিভাগে এত দিন রিসার্চ এনট্রান্স টেস্ট (রেট)-এর মাধ্যমে পিএইচডি করার সুযোগ দিত পড়ুয়াদের। রেট উত্তীর্ণেরা নেট, সেট বা গেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সঙ্গেই ইন্টারভিউয়ে বসতে পারতেন। মেধা অনুযায়ী সুযোগ পেতেন পিএইচডি-র। এর পর থেকে আর রেট-এর কোনও মূল্য থাকবে না।
আরও পড়ুন:
২০২৩-এ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী নয়া নিয়মের কথা জানিয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, পিএইচডি করার জন্য কোনও প্রার্থীর লেকচারশিপ বা ফেলশিপ থাকতে হবে। অথবা, ন্যূনতম নেট উত্তীর্ণ হতে হবে। কিন্তু এত দিন পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই নিয়ম মান্যতা পায়নি। গত সিন্ডিকেট বৈঠকে এই নিয়ম কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ বলেন, “উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও রাজ্য শিক্ষানীতিকে গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করতে চাই। ইতিমধ্যে আইআইটিগুলি এই নিয়মে পিএইচডি করাচ্ছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তা চালু হবে। তবে যদি কোনও বিভাগের সমস্যা থাকে, তা হলে তা বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।”
পিএইচডি গাইড বিষয়েও নয়া নীতি কার্যকর করার কথা ভাবছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কলেজ শিক্ষকেরাও যাতে সহজে পিএইচডি করাতে পারেন, সে জন্য নিয়মে বদল আনা হচ্ছে বলে খবর। সর্বশেষ সিন্ডিকেট বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব দিয়েছেন উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ।