Advertisement
E-Paper

শিক্ষানীতি মেনে পঠনপাঠন এগোবে কোন পথে! কী সিদ্ধান্ত নিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ?

শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে আলোচনা চলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে। জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে চার বছরের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের পঠনপাঠন, পডুয়াভর্তি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কী ভাবে হবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরে ভর্তি?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৭
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় । ছবি: সংগৃহীত।

স্নাতকোত্তর স্তরে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এবং রাজ্য শিক্ষানীতি ২০২২ চালু করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ জানান, শুক্রবারের বৈঠকে দু’বছরের স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। মোট আসনের ৬০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য। বাকি ৪০ শতাংশ বাইরের পড়ুয়ার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর এবং পঞ্চম সেমেস্টার পর্যন্ত প্রাপ্ত নম্বরের উপরে ভিত্তি করে তালিকা তৈরি হবে। অন্য পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রবেশিকা পরীক্ষার নম্বরই গণ্য হবে। আপাতত দু’বছরের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্যই বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এরই পাশাপাশি প্রতি সেমেস্টারে অন্তত ৯০ দিন করে ক্লাস করানোর জন্য অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, সাধারণত জুন মাসে কলেজগুলিতে তৃতীয় বর্ষের ষষ্ঠ সেমেস্টার পরীক্ষা হয়ে থাকে। গত সপ্তহেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে সব পড়ুয়া কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের বিষয়ে দু’বছরের স্নাতকোত্তরে ভর্তি হতে চান তাঁদের জন্য মে মাসেই প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে। অর্থাৎ ষষ্ঠ সেমেস্টার সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাঁরা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে যাবেন। জুলাই থেকেই যাতে পঠনপাঠন শুরু করা যায় সেই চেষ্টাই করছে বিশ্ববিদ্যালয়। সে কারণেই এ দিনের সিন্ডিকেটে স্নাতকোত্তর স্তরের ভর্তি প্রক্রিয়ার উপরে জোর দেওয়া হয় বলে জানান এক কর্তা।

Advertisement

এ ছাড়াও এ দিন স্নাতকের ডিগ্রি দেওয়ার ক্ষেত্রেও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, স্নাতকের কোন বছরে কোন ডিগ্রি দেওয়া হবে সেটা ঠিক করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তারা একটি সুপারিশও দেয়। ওই কমিটির সদস্য আশুতোষ কলেজের অধ্যক্ষ মানস কবি বলেন, ‘‘পড়ুয়াদের স্বার্থে আমরা কোর্সের নামগুলি এমন ভাবেই সুপারিশ করেছিলাম যেন ভারতের বা ভারতের বাইরে কোথাও পড়ুয়াদের কোনও সমস্যা না হয়।’’ সেখানে তাঁরা সুপারিশ করেছিলেন স্নাতকে ভর্তি হওয়ার এক বছর পরে কোনও পড়ুয়া কোর্স শেষ করে বেরিয়ে যাবেন তাঁরা পাবেন সেই বিষয়ের উপরে এক বছরের ‘সার্টিফিকেট’। দু’বছরের ক্ষেত্রে ওই বিষয়ের উপরে ‘ডিপ্লোমা’। তিন বছরের কোর্সের ক্ষেত্রে যাঁদের অনার্স থাকবে তাঁরা বিএ, বিএসসি অথবা বিকম ‘থ্রি ইয়ার্স গ্র্যাজুয়েশন উইথ সিঙ্গল মেজর’ এবং পাস-এর ক্ষেত্রে ‘থ্রি ইয়ার্স গ্র্যাজুয়েশন টু কোর অ্যান্ড ওয়ান মাইনর’ ডিগ্রি পাবেন। চার বছরের ক্ষেত্রে অনার্স অথবা অনার্স উইথ রিসার্চ ডিগ্রি দেওয়া হবে।

উপাচার্য জানান, তিন বছরের কোর্স আর চার বছরের কোর্সের কী ডিগ্রি হতে পারে তা নিয়ে আলোচনার জন্যই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এ দিন তাঁদের সেই সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয় এবং সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়।

Undergraduate Post Graduate Degree
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy