ডিজিলকারের মাধ্যমে পড়ুয়াদের পাঠানো হতে পারে খাতা। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) এই বিষয়ে প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে বোর্ডের তরফে ওই বিশেষ পোর্টাল মারফত মার্কশিট, শংসাপত্র, মাইগ্রেশন সার্টিফিকেট পড়ুয়াদের পাঠানো হয়ে থাকে।
সূত্রের খবর, ডিজিটাইজ়েশনের জন্য ইতিমধ্যে অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে দ্বাদশের পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর পরের ধাপে ওই উত্তরপত্র যাতে সরাসরি ডিজিলকারে তুলে দেওয়া যায়, তা নিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে কাজ শুরু করতে চায় বোর্ড।
বর্তমানে খাতা দেখার জন্য ফলাফল প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে কোনও আপত্তি থাকলে তবেই অনলাইন পোর্টাল মারফত আলাদা করে আবেদন জানানো সম্ভব। সেই আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর খাতা দেখার সুযোগ মেলে দীর্ঘ সময়ের পরে। এর পরও যদি আপত্তি থাকে, সে ক্ষেত্রে আলাদা করে আবার আবেদন জমা দিতে হয়।
আরও পড়ুন:
বারবার আলাদা করে খাতা দেখার জন্য আবেদনের ঝক্কি মেটাতে সরাসরি খাতা পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে চাইছে বোর্ড। যাতে কম সময়ের মধ্যে পুনর্মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। তবে, ২০২৬-এর ফল প্রকাশে পর ওএসএম বিতর্কের জেরে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা এবং উত্তরপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বোর্ড বারবার আশ্বাস দিয়েছে, নতুন করে পুনর্মূল্যায়ন করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই পদ্ধতিতেই পড়ুয়াদের সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
ডিজিলকারের মাধ্যমে কয়েক লক্ষ খাতা পাঠানোর পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষামহলের একাংশ। সুরক্ষিত ভাবে উত্তরপত্র সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য উন্নতমানের ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। সেই ব্যবস্থাপনার কি এক বছরের মধ্যে তৈরি করা সম্ভব? এ ছাড়াও প্রযুক্তিগত পরিকাঠামোর সাহায্যে যে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে, তার তত্ত্বাবধান করবেন কারা? তা নিয়েও সংশয় থেকে যাচ্ছে।