সিবিএসই-র খরচের হিসাব জানতে চাইল সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশন (সিআইসি)। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের দশম এবং দ্বাদশের পরীক্ষার জন্য কতগুলি উত্তরপত্র কেনা হয়েছিল এবং সেই সংক্রান্ত বিষয়ে বিশদ তথ্য জানতে চেয়েছে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, আরটিআই আবেদনে বোর্ড পরীক্ষার স্বার্থে কত টাকা খরচ করেছে, তার হিসাবে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাতে উত্তরপত্রে কত পাতা ছিল, পাতার গুণমান কেমন, জিএসটি-র মূল্য এবং উত্তরপত্রের জন্য দরপত্র আহ্বানের বিশদ সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হয়েছিল। আবেদনের উত্তরে সিবিএসই জানায়, ৮ থেকে ৪৮ পাতার উত্তরপত্র কেনা হয়েছিল।
তবে, দরপত্রের আহ্বানে কোন সংস্থাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, কোন কোন সংস্থা ওই প্রক্রিয়া যোগদান করেছিলেন, কিংবা কত টাকা খরচ হয়েছিল— সে সম্পর্কিত তথ্য বোর্ডের তরফে জানানো হয়নি। আবেদনকারীকে সিবিএসই-র তরফে বলা হয়েছিল, আরটিআই অ্যাক্ট-এর ৮ (১) ধারা অনুযায়ী, এই সংক্রান্ত তথ্য গোপন এবং সংবেদনশীল।
অর্থের ব্যয় কী ভাবে বোর্ড করছে, তার সঙ্গে জনস্বার্থ জড়িয়ে আছে— এই যুক্তিতে আবেদনকারী বোর্ডকে চ্যালেঞ্জ করেন। তথ্য জানার আবেদন জানান সিআইসি-র কাছে। চলতি সপ্তাহে সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েছেন ইনফরমেশন কমিশনার সুধারানী রেলাঙ্গি। জানা গিয়েছে, সেন্ট্রাল পাবলিক অফিসার এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নিজে উপস্থিত হননি। আলাদা করে কোনও লিখিত বক্তব্যও তিনি পেশ করেননি।
উল্লেখ্য, এই সংক্রান্ত তথ্য ২০২৫-এ জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার উত্তর এখনও পর্যন্ত না মেলায় আরটিআই অ্যাক্ট খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে সিআইসি। প্রতিটি প্রশ্নের সাপেক্ষে সঠিক তথ্য সিবিএসই-কে জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থার তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আরটিআই অ্যাক্ট অনুযায়ী, বৃহত্তর জনস্বার্থে আর্থিক লেনদেন এবং দরপত্র সংক্রান্ত তথ্য জানাতে কোনও বাধা নেই।