সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ইউপিএসসি-র সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার ফল। নিট ইউজি-র পর এই পরীক্ষায়ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। যদিও সেই দাবিকে ভুয়ো বলেই উড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।
সম্প্রতি এক ছাত্র সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়, কোনও কোনও কোচিং সেন্টারের কাছে আগে থেকেই প্রশ্নপত্র ছিল। প্রমাণ হিসাবে সমাজমাধ্যমে তারা দেখিয়েছে একটি কোচিং সেন্টারের তরফে পোস্ট করা কিছু ভিডিয়ো। সেখানে শিক্ষকেরা কিছু প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানাচ্ছেন এবং তার ব্যাখ্যা দিচ্ছেন।
এর পরই বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও ফলপ্রকাশের পর কেন্দ্রের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর ফ্যাক্ট চেক-এর সম্প্রতি তাদের এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছে, ২০২৬ ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনও ঘটনা ঘটেনি। সমাজমাধ্যমে ভুয়ো তথ্য রটানো হয়েছে।
এ দিকে যে অসরকারি কোচিং সেন্টারের ভিডিয়ো তুলে ধরে সমাজমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ করেছিল ছাত্রসংগঠন, সেই সংস্থার পক্ষ থেকেও বিবৃতি জারি করা হয়েছে। দাবি, পরীক্ষার আগে তাদের হাতে কোনও প্রশ্নপত্র ছিল না। বরং পরীক্ষার পর যখন প্রশ্নপত্র সকলে দেখতে পেয়েছেন, তখনই তারা হাতে পেয়েছেন।
কোচিং সেন্টারের দাবি, প্রতি বছরই পরীক্ষার পর তাদের সংস্থার শিক্ষকেরা প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যা করে দেন। এ বারও তেমনই হয়েছে। তবে, একসঙ্গে অনেক ভিডিয়ো তৈরি করেছিলেন শিক্ষকেরা। সে সব ভিডিয়ো একসঙ্গে সমাজমাধ্যমে আপলোড করার ক্ষেত্রে কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা ছিল। তাই সংস্থার তরফে বেশ কিছু ভিডিয়ো আপলোড করা হয় আগের কোনও তারিখে, ‘ব্যাক ডেট’-এ।
এখানেই সংশয়। ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া-র দাবি, একটি কোচিং সেন্টার কী ভাবে এত কম সময়ের মধ্যে বেশির ভাগ প্রশ্নের উত্তরের সঠিক ব্যাখ্যা দিয়ে উঠতে পারল? শতকরা ৮০ শতাংশ প্রশ্ন মিলে গিয়েছে বলে তাদের দাবি।
যদিও প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো জানিয়েছে, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য শুধুমাত্র ইউপিএসসি এবং সরকারি বিভাগের ওয়েবসাইটটি দেখে নিতে হবে বলেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।