Advertisement
E-Paper

গরমের ছুটি পিছিয়ে আগে পরীক্ষা! স্কুলের পঠনপাঠন শেষ করা নিয়ে চিন্তায় শিক্ষকদের একাংশ

আগামী সোমবার থেকে গরমের ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রয়োজনে সেই ছুটি পিছিয়ে দিয়ে আগে পরীক্ষা নেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানশিক্ষক

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ ১৮:৩৬

— প্রতীকী চিত্র।

এপ্রিলে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। ঠিক সময়ে স্কুলে পৌঁছে গিয়েছিল ওরা। কিন্তু পরীক্ষা আর দেওয়া হয়নি। কারণ, স্কুলে ঢুকে পড়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।

শিক্ষকেরা বহু চেষ্টা করেও প্রশাসনকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন সে বার। বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়েছিল পড়ুয়াদের। গত এপ্রিলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোটালপুর মধুসূদন হাই স্কুলের এই ঘটনা আনন্দবাজার ডট কম-এ প্রকাশিত হয়েছিল। এ বার সেই পরীক্ষা হবে। প্রস্তুত স্কুল কর্তৃপক্ষ।

আগামী সোমবার থেকে গরমের ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রয়োজনে সেই ছুটি পিছিয়ে দিয়ে আগে পরীক্ষা নেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানশিক্ষক অবনী পাত্র। পড়াশোনার উৎকর্ষকেই প্রাধান্য দিতে চাইছেন, তাই এই উদ্যোগ, জানিয়েছেন তিনি।

একই ভাবে স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকে পড়ায় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন করাতে পারেনি জগদীশপুর হাইস্কুলও। কর্তৃপক্ষ চাইছেন গরমের ছুটির আগে পরীক্ষা করিয়ে নিতে। কিন্তু সমস্যা এখানেই শেষ নয়। প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নে দেরি হওয়ায় দ্বিতীয় মূল্যায়নেও প্রভাব পড়বে। পঠনপাঠন খানিকটা পিছিয়ে যাবে।

হিসাবমতো এপ্রিলের পরীক্ষার পরেই দ্বিতীয় পর্যায়ের পড়াশোনা শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি, শিক্ষকদের নির্বাচনী দায়িত্বের কারণে ঠিকমতো ক্লাস করানোই যায়নি বলে অভিযোগ। দু’টি পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের মধ্যে অন্তত চার মাসের ব্যবধান থাকার কথা। কিন্তু সেই ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব নয় বলে দাবি শিক্ষকদের একাংশের।

মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কিছু স্কুল খুলছে। কিন্তু সে ভাবে ক্লাস চালু করা সম্ভব হয়নি। আগামী সোমবার, ১১ মে থেকে গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আপাতত এক সপ্তাহের ছুটি। তারপরে ফের স্কুল খোলার কথা। তার পর অগস্টের প্রথম সপ্তাহেই দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন হওয়ার কথা। অর্থাৎ, কোনও ভাবেই চার মাস পঠনপাঠনের সময় পাবে না পড়ুয়ারা।

কোটালপুর মধুসূদন হাই স্কুলের প্রধানশিক্ষক অবনী পাত্র বলেন, “অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি। পরীক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে গরমের ছুটি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” কিন্তু তাতেও ক্লাসের সময় বাড়ানো যাবে না।

মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক অনিমেষ হালদার বলেন, “বহু স্কুলে প্রথম সামেটিভ পরীক্ষা হয়নি। এখনও কিছু স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। ফলে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এর পর গরমের ছুটি। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হল।”

Schools wb
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy