Advertisement
E-Paper

প্রয়োজন থাকলেও সাধ্য নেই, বরাদ্দ মেলেনি গোটা অর্থবর্ষে! ছাত্রাবাস চালাতে হিমসিম জেলার স্কুলগুলি!

মালদহের গাজোলে টিয়াকাটি হাইস্কুলেও দু’টি হস্টেল রয়েছে। সেখানেও প্রায় ৭৫ জন পড়ুয়া থাকে। এই স্কুলেও গত অর্থবর্ষের টাকা আসেনি বলে অভিযোগ। স্কুলেরই এক শিক্ষক জানান, এ ভাবে চলতে থাকলে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কোনও কাজ করা যাচ্ছে না।

সুপ্রিয় তরফদার

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১১
কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলের ছাত্রাবাস।

কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলের ছাত্রাবাস। নিজস্ব চিত্র।

স্কুলের ছাত্রাবাসগুলির জন্য রাজ্য সরকার বরাদ্দ করেছে বছরে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা। এ পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট না হলেও এর উপরে ভরসা করে থাকে অনেকে স্কুল। কিন্তু বহু স্কুলের অভিযোগ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ শেষ হয়ে গেলেও এক কানাকড়িও মেলেনি।

অর্থাভাবে অনেক পড়ুয়াই হস্টেল ছেড়ে চলে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ শিক্ষকদের একাংশের। নির্বাচনের আগেই হস্টেলের অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। উত্তরবঙ্গ থেকে থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক, ময়না, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন স্কুলের হস্টেলে গত অর্থবর্ষ কোনও অর্থ সাহায্য পায়নি বলে জানা গিয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাই স্কুলের ৫টি হস্টেল রয়েছে। সেখানে প্রায় ৭৫০ পড়ুয়া থাকে। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে প্রায় ৩০ জন কর্মী রয়েছেন এই হস্টেলে। কিন্তু হস্টেল বাবদ এই টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক চন্দন মাইতি। এর ফলে স্কুলছুটের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। পাশাপাশি নাবালিকা বিবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। খরচের বোঝা সামলানো মুশকিল হচ্ছে বলেই মত তাঁর।

Advertisement

একই ভাবে মালদহের গাজোলে টিয়াকাটি হাইস্কুলেও দু’টি হস্টেল রয়েছে। সেখানেও প্রায় ৭৫ জন পড়ুয়া থাকে। এই স্কুলেও গত অর্থবর্ষের টাকা আসেনি বলে অভিযোগ। স্কুলেরই এক শিক্ষক জানান, এ ভাবে চলতে থাকলে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কোনও কাজ করা যাচ্ছে না। দক্ষিণ দিনাজপুরের মালিপাড়া তফশিলি উপজাতি হাই স্কুলের অবস্থাও একই। সেখানেও গত অর্থ বর্ষে সাড়ে চার লক্ষ টাকা আসেনি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক তুষারকান্তি ঘোষ জানান, এই অর্থ তাঁদের সম্বল। ওই এলাকায় পড়ুয়াদের হস্টেলের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এই অর্থ না পাওয়ায় তাঁরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই জেলারই বিশরাইল হাই স্কুলেও সরকারের এই অর্থ পৌঁছয়নি। ফলে বেকায়দায় পড়েছেন তাঁরাও।

এক শিক্ষক বলেন, ‘‘হস্টেলের খাতে অর্থ বরাদ্দ করা থাকে। সেই টাকা পেতে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু গোটা অর্থবর্ষ পার হয়ে গেল সেই টাকা পাওয়া গেল না।’’ তাঁদের মতে, ওই সব এলাকার পড়ুয়াদের জন্য ছাত্রাবাস খুবই প্রয়োজন। সেখানে এ ভাবে অব্যবস্থা জারি থাকলে পড়ুয়ারাই ভুগবে বলে মনে করছেন শিক্ষকেরা।

School education department Hostel
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy